ইসলামে বিধবা নারীর মর্যাদা ও অধিকার

প্রকাশিত

মুহাম্মদ মনজুর হোসেন খান
\ সাত \
এরপর তাকে তার হাদীস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন। যখন তিনি রাসূলুল্লাহ স.-এর কাছে ফাতওয়া চাইছিলেন এবং তিনি তাকে যা বলেছিলেন তখন উমর ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু, উতবাকে লিখে পাঠালেন যে সুব‘আহ তাকে জানিয়েছেন তিনি বানু আমির ইবনু লুঈ গোত্রের সা‘দ ইবনু খাওয়ালার স্ত্রী ছিলেন। তিনি ছিলেন বদরী সাহাবী এবং বিদায় হজ্জের সময় ওফাত পান। সে সময় তিনি গর্ভবতী ছিলেন।তার স্বামীর ইন্তেকালের অব্যবহিত পরেই তিনি সন্তান প্রসব করেন। এরপর যখন তিনি নিফাস থেকে পবিত্র হলেন, তখন বিবাহ পয়গামদাতাদের জন্য সাজসজ্জা করতে লাগলেন। তখন বানূ আবদূদ দার গোত্রের আবূ সানাবিল ইবনু বা‘কাক নামক এ ব্যক্তি তার কাছে এলেন। তখন তিনি তাকে বললেন, উদ্দেশ্য কি? আমি তোমাকে সাজ সজ্জা করতে দেখতে পাচ্ছি! সম্ভবত তুমি বিবাহ প্রত্যাশী? আল্লাহর কসম! চার মাস দশ দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত তুমি বিয়ে করতে পারবে না। সুবয়া‘হ বললেন, যখন সে লোকটি আমাকেএ কথা বলল, তখন কাপড়-চোপড় পরিধান করে সন্ধ্যাবেলা রাসূলুল্লাহ স.-এর কাছে চলে এলাম। এর পর আমি তাকে সে বিষয়ে জানিয়ে দিলাম। তিনি আমাকে জানিয়ে দিলেন যে, সন্তান ভূমিষ্ট হওয়ার সাথে সাথেই আমার ইদ্দত পূণ হয়ে গিয়েছে। তিনি আমাকে আরও নির্দেশ দিলেন যে, আমি ইচ্ছা করলে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারি।
বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক বিধবাদের সাহায্য সহযোগিতা ঃ খড়ড়সনধ ঋড়ঁহফধঃরড়হ ঞযব খড়ড়সনধ ঋড়ঁহফধঃরহ ধিং ভড়ঁহফবফ নু খড়ৎু জধল খড়ড়সনধ ঈইঊ ধহফ যরং রিভব ঠববহধ, খধফু খড়ড়সনধ. ওঃ ধিং বংঃধনষরংযবফ রহ ৎযব টক ধং ধ পযধৎরঃধনষব ঞৎঁংঃ উববফ ড়হ ২৬ ঔঁহব ১৯৯৭ ধহফ যধং ংরংঃবৎ পযধৎরঃরবং ৎবমরংঃবৎবফ রহ ওহফরধ ধহফ ঃযব টঝঅ. ঞযব রহংঢ়রৎধঃরড়হ পধসব ভৎড়স জধলদং ষধঃব সড়ঃযবৎ, ঝযৎরসধঃর চঁংযঢ়ধ ডধঃর খড়ড়সনধ, যিড় নবপধসব ধ রিফড়ি ধঃ ঃযব বধৎষু ধমব ড়ভ ৩৭ ধহফ ংঁপপববফবফ রহ বফঁপধঃরহম যবৎ ংবাবহ ুড়ঁহম পযরষফৎবহ ংরহমষব-যধহফবফ (িি.িঃযবষড়ড়সনধভড়ঁহফধঃরড়হ.ড়ৎম) এর এষড়নধষ ডরহফড়ংি জবঢ়ড়ৎঃ-২০১৬ অনুযায়ী বাংলাদেশের বর্তমানে বিধবার সংখ্যা ৫,২৯৪,১৩০ জন। “(িি.িঃযবষড়ড়সনধভড়ঁহফধঃরড়হ.ড়ৎম/../২০১৬/../খড়ড়সনধ-ঋড়ঁহফধঃরড়হ-এষড়নধষ-ডরহফড়ংি.” বাংলাদেশ সরকার বিধবাদের আর্থ সামাজিক উন্নয়ন ও মর্যাদা নিশ্চিতের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহন করেছে। সংবিধানের ১৫/ঘ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে,“ সামাজিক নিরাপত্তার অধিকার, অর্থ্যাৎ বেকারত্ব ব্যাধি বা পঙ্গুত্বজনিত কিংবা বৈধব্য, মাতাপিতৃহীনতা বা বার্ধক্যজনিত কিংবা অনুরুপ অন্যান্য পরিস্থিতিজনিত আয়ত্তাতীত কারনে অভাবগ্রস্থার ক্ষেত্রে সরকারী সাহায্য লাভের অধিকার। বাংলাদেশ সরকারের সমাজ কল্যান মন্ত্রনালয় ১৯৯৮-৯৯ অর্থবছর থেকে বিধবাদের সাহায্য-সহযোগিতা শুরু করে। তাদের এ কর্মসূচির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো, বিধবা মহিলাদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা, পরিবার ও সমাজে তাদের মর্যাদা বৃদ্ধি, আর্থিক অনুদানের মাধ্যমে তাদের মনোবল জোরদার করা ও চিকিৎসা সহায়তা ও পুষ্টি সরবরাহ বৃদ্ধিতে আর্থিক সহায়তা প্রদন করা।