ত্রিদেশীয় সিরিজের ৭০ ভাগ টিকিট সাধারণের

প্রকাশিত

ম্যাচ টিকিট কখনো সোনার হরিণ হয়ে যায় বাংলাদেশে। ছবি: প্রথম আলোটিকিটের হাহাকার তৈরি হয় বাংলাদেশে হওয়া প্রতিটি ওয়ানডে কিংবা টি-টোয়েন্টি সিরিজ-টুর্নামেন্টেই। অনেক দিন ধরে অনলাইনে টিকিটের ব্যবস্থা করছে বিসিবি। তবুও সমস্যার পূর্ণ সমাধান হয়নি। টিকিটের সংকট থাকবেই। বাংলাদেশ ভালো খেললে মানুষের চাহিদা যখন বেড়ে যায়, সংকটটা তখন আরও তীব্র হয়।

টিকিট-সংকটের সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখে বিসিবির মাত্রাতিরিক্ত সৌজন্য টিকিট। বিশ্বের প্রায় সব স্টেডিয়ামেই সৌজন্য টিকিটের ধারাটা চালু আছে। খেলোয়াড়, টিম ম্যানেজমেন্ট, আম্পায়ার, বোর্ড পরিচালক, কর্মকর্তা, কর্মচারী থেকে শুরু করে পৃষ্ঠপোষক, ক্লাব, আঞ্চলিক সংস্থা, বিভিন্ন ক্রীড়া সংগঠনের জন্য টিকিট বরাদ্দ থাকে। তবে বাংলাদেশ যেন ছাড়িয়ে যায় সবাইকে।
যত টিকিট বিক্রির জন্য ছাড়া হয়, তার চেয়ে বেশি দেওয়া হয় সৌজন্য টিকিট! আজ বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী দাবি করলেন, ‘আমাদের একটা স্ট্যান্ডার্ড থাকে। তবে বিভিন্ন সময় নানা জায়গা থেকে টিকিটের অনেক চাহিদা থাকে। পৃষ্ঠপোষকসহ অনেককে দিতে হয়। তবুও বলব ৬০-৭০ শতাংশ টিকিট বিক্রি করা হয়।’
সেটি হলে ২৫ হাজার ধারণক্ষমতাসম্পন্ন মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের ১৫-১৭ হাজার টিকিট এবার বিক্রি হবে। এর মধ্যে ৩০-৪০ শতাংশ ছাড়া হবে সহজ ডটকমে (SHOHOZ.COM)। বাকিটা পাওয়া যাবে বিসিবির নির্ধারিত বুথে। টিকিট ছাড়া হবে ১৩ জানুয়ারি থেকে।
ত্রিদেশীয় সিরিজে মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে আন্তর্জাতিক লাউঞ্জের (প্রেস বক্সের নিচে) টিকিটের দাম ২০০০ টাকা, গ্র্যান্ড স্ট্যান্ড ১০০০, ভিআইপি স্ট্যান্ড ৫০০, শহীদ মোশতাক ও শহীদ জুয়েল স্ট্যান্ড (ক্লাব হাউস) ৩০০ টাকা, উত্তর-দক্ষিণ গ্যালারি ১৫০ টাকা, পূর্ব গ্যালারি ১০০ টাকা