২ কোম্পানির ৮ পরিচালককে আত্মসমর্পণের নির্দেশ

প্রকাশিত

১৯৯৬ সালে শেয়ার কেলেঙ্কারির মামলায় দুই প্রতিষ্ঠানের আট পরিচালককে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৩ এপ্রিল) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. রইস উদ্দীনের একক বেঞ্চ এ সংক্রান্ত আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

আদালত ওই আট পরিচালককে ৩০ দিনের মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন।

এর আগে ১ ফেব্রুয়ারি শেয়ারবাজার বিষয়ক বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক আকবর আলী শেখ ১৯৯৬ সালের বহুল আলোচিত শেয়ার কারসাজির দুই মামলার আট আসামির সবাইকে খালাস দেন।

তারা হলেন- এইচএমএমএস ফাইন্যান্সিয়াল কনসালট্যান্সি অ্যান্ড সিকিউরিটিজের শেয়ার কেলেঙ্কারি মামলার আসামি হেমায়েত উদ্দিন আহমেদ, মোস্তাক আহমেদ সাদেক, সৈয়দ মাহবুব মুর্শেদ, শরিফ আতাউর রহমান ও আহমেদ ইকবাল হাসান এবং সিকিউরিটিজ কনসালট্যান্টস শেয়ার কেলেঙ্কারি মামলায় এম.জে. আজম চৌধুরী, শহীদুল্লাহ ও প্রফেসর মাহবুব আহমেদ।

মামলা থেকে উভয় প্রতিষ্ঠানকেও খালাস দেয়া হয়। পরে ট্রাইব্যুনালের সেই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করে বিএসইসি। সেই আপিল মঙ্গলবার শুনানির জন্য গ্রহণ করে আদালত এ আদেশ দেন।

আরো পড়ুন :  গাড়ি ভাঙার কাচ পরিষ্কার করছেন শিক্ষার্থীরাই!

রায়ের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের করা আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে আদালত বলেন, ওই আট পরিচালককে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে হবে। আত্মসমর্পণ করলে তাদের জামিন বিবেচনা করবেন বিচারিক আদালত। একই সঙ্গে মামলায় বিচারিক আদালতের নথিপত্র তলব করা হয়েছে।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শফিউল বশর ভাণ্ডারি। সঙ্গে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল স্বপন কুমার দাস ও সৈয়দা সাবিনা আহমেদ মলি। এসইসির পক্ষে শুনানি করেন এ এম মাসুম।

এর আগে ২০১৫ সালের ২১ জুন শেয়ারবাজারের বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়। এর পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে ছয়টি মামলার পূর্ণ ও একটি মামলার আংশিক রায় দেয়া হয়। প্রথম রায় ঘোষণা করা হয় ২০১৫ সালের ৩ আগস্ট। ওই রায়ে ফেসবুকে মূল্য সংবেদনশীল তথ্য প্রচারের দায়ে জনৈক মাহবুব সরোয়ারকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেন ট্রাইব্যুনাল। এছাড়া বাংলাদেশ ওয়েল্ডিং ইলেকট্রোডের (বর্তমান নাম বিডি ওয়েল্ডিং) শেয়ার কেলেঙ্কারির মামলায় কোম্পানির ব্যবস্থাপনা নুরুল ইসলাম ও একটি ইংরেজি দৈনিকের সম্পাদক এনায়েত করিমকে তিন বছরের কারাদণ্ড ও ২০ লাখ টাকা করে জরিমানা করেন ট্রাইব্যুনাল। চিক টেক্স শেয়ার কেলেঙ্কারির মামলায় কোম্পানির এমডি মাকসুদুর রসুল ও পরিচালক ইফতেখার মোহাম্মদকে চার বছর করে কারাদণ্ড ও ৩০ লাখ টাকা করে জরিমানার রায় ঘোষণা করা হয়। প্লেসমেন্ট কেলেঙ্কারির মামলায় একমাত্র আসামি সাত্তারুজ্জামান শামীমকে ও সাবিনকো শেয়ার কেলেঙ্কারি মামলায় কোম্পানির সাবেক এমডি কুতুব উদ্দিনকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়।

আরো পড়ুন :  টঙ্গী থানা প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক ও পুলিশ মতবিনিময়

২০১৬ সালের ২০ এপ্রিল সিকিউরিটিজ প্রমোশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের (এসপিএম) শেয়ার কেলেঙ্কারি মামলায় অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান শেলী রহমান ও গ্রাহক সৈয়দ মহিবুর রহমানকে দুই বছর করে কারাদণ্ড এবং ১৫ লাখ টাকা করে আর্থিক জরিমানা করা হয়।

3Shares