বহুরূপী বউ

প্রকাশিত

বউ যখন ঘুষখোর : তোমার পছন্দমতো রান্না করতে কোনো আপত্তি নাই। আমি তো সব সময় তোমার জন্যই রান্না করতে চাই; কিন্তু বুঝোই তো, শরীরটা কেমন আতকা হ্যাং হয়ে যায়। কিছু টাকা পেলেই চাঙ্গা হয়ে উঠব। সামান্য আবদার।

 

বউ যখন সন্দেহবাজ : আগেই সন্দেহ হইছিল, আজ নিজের চোখে দেখলাম, পাশের বাড়ির আপার দিকে ট্যারা হয়ে তাকিয়ে থাকো। কই, আমার দিকে তো এমন সুদৃষ্টিতে কোনো দিনও তাকাও নাই! সবই আমার কপাল! নইলে তোমার মতো মেয়াদোত্তীর্ণ চরিত্রের লোকের সঙ্গে বিয়ে হয়।

আরো পড়ুন :  রংপুর-৪ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এ টি এম আজম খাঁন

 

বউ যখন হোম ম্যানেজার : এই মাসে আমার শপিংয়ের জন্য বেশি নিলাম না…মাত্র ১০ হাজার টাকা। আর এই নাও ৫০০ টাকা তোমার হাতখরচ। আগামী ১০ দিনে আর এক টাকাও যদি চাইছ, তাহলে কিন্তু ভালো হবে না বলে দিলাম।

 

বউ যখন রান্নাপ্রেমী : দূর! আগের মতো রান্না কইরা মজা পাই না। এটা নাই, ওটা নাই। আমার বাপের বাড়ি থাকতে এত এত রান্না করতাম। সেই ঘ্রাণে মহল্লার সবাই বাড়ির আশপাশে ঘোরাঘুরি শুরু করত। আর তোমার সংসারে আইসা তো কিছুই পাইলাম না। যেটাই রান্না করি, খাইলে পেট পাতলা হয়ে যায়।

আরো পড়ুন :  বিদেশে বিনিয়োগের সুযোগ শুধু রপ্তানিকারকদের

 

বউ যখন ফেসবুক ইউজার : ময়নার বাপ, আজকে আমার মন খারাপ। আমার ছবিতে লাইকের ধস নামছে। সারা দিনে মাত্র ১০টা লাইক! তা-ও লাভ রিঅ্যাক্ট ছাড়া। মনে হয় তোমার নজর লাগছে। আমি ফেসবুক চালাই—এটা তো সহ্যই করতে পারো না। আজকে রান্না বন্ধ।

 

বউ যখন রূপসচেতন : কী বললা, মুখে আলু, ডাল আলাদা করে না মেখে একবার খিচুড়ি রান্না করে মাখতে? এই ছিল তোমার মনে? আমার কিউট চেহারাটার কোনো মূল্য দিলা না। তোমার সংসারে এসে সব ত্যাগ করছি, সামান্য পচা কলা আর শাকসবজি মাখি, সেটার খোটাও দিলা। তুমি একটা ম্যানহোল।