সিন্দুকের চাবি’ নিয়ে তাদের উদ্ভট কাণ্ড

প্রকাশিত

বিনোদন ডেস্ক :

সিদ্দিক ব্যাপারী জমিদার বংশের সন্তান। তার কাছে অনেক গহনা আর ধন সম্পদ আছে, তা গ্রামের সবাই জানে। সিন্দুকের একটি চাবি সব সময় তার গলায় ঝুলিয়ে সে ঘুরে বেড়ায়। কারণ এই সিন্দুকের মধ্যেই আছে পূর্ব পুরুষদের রেখে যাওয়া অঢেল সোনা-গহনা। এসব সম্পদের মালিক হওয়ার জন্য সিদ্দিকের দুই মেয়ে ফুল আর কলিকে বিয়ে করতে চায় গ্রামের অনেক যুবক। কিন্তু সিদ্দিক মিয়া তার দুই মেয়ের জামাই নির্বাচনের ক্ষেত্রে যে ধরণের উদ্ভট প্রক্রিয়া অবলম্বন করেছে, যাতে কেউ-ই সফল হতে পারছে না।

আরো পড়ুন :  ব্যাংককে সোহম-শুভশ্রীর ‘হানিমুন’

চাকরির নিয়োগের মতো করে আবেদনপত্র জমা নেয়া, সেটা বাছাই করে সাক্ষাৎকারের জন্য ডাকা, লিখিত, মৌখিক পরীক্ষা এবং শারীরিক পরীক্ষাসহ বেশকিছু অদ্ভুট প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয় প্রার্থীদের। তারপর আবার ঘর জামাই থাকতে হবে এমন শর্ত তো রয়েছে-ই।

গ্রামের ছেলে ঝন্টু বেশ কিছুদিন ধরে নানাভাবে চেষ্টা করেও সিদ্দিক ব্যাপারীর সু-নজড়ে আসতে পারছেন না, তারপরও তার চেষ্টা চলছেই। ওদিকে ফুল আর কলির মাঝেও একটা ঠান্ডা লড়াই চলছে। তারা চায় বাবার প্রিয় পাত্রী হয়ে একটু বেশি সম্পত্তির মালিক হতে। যাই হোক, সিদ্দিক ব্যাপারী মেয়েদের যোগ্য জামাই খোঁজে না পাওয়ায় বেশ হতাশ হয়ে পড়েন। তারপর গ্রামে গ্রামে মাইকিং করে যোগ্য পাত্রের সঙ্গে মেয়েদের বিয়ে দিয়ে তার সব সম্পত্তি ভাগ করে দিবেন। এমন খবরে বেশ কিছু পাত্র আসে ফুল আর কলিকে বিয়ে করতে। এদের মধ্যে খুব চতুর প্রকৃতির দুই পাত্র সিদ্দিক ব্যাপারীর সকল পরীক্ষায় পাশ করে ফুল আর কলিকে বিয়ে করে। তারপর গল্পে নতুন মোড় দেখা যায়।

আরো পড়ুন :  সেই লাইভে শফিক তুহিনকে কী বলেছিলেন আসিফ?

এমন গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে একক নাটক ‘সিন্দুকের চাবি’। রানা জাকারিয়ার রচনায় নাটকটি পরিচালনা করেছেন মজিবুল হক খোকন। নাটকটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন আবুল হায়াত, এফ এস নাঈম, তানজিকা, মাজনুন মিজান, তানিয়া সুলতানা স্নেহা, শামীম প্রমুখ। সম্প্রতি নাটকটির দৃশ্যধারণের কাজ শেষ হয়েছে। ঈদুল ফিতরের ৬ষ্ঠ দিন রাত সাড়ে ৮টায় এটিএন বাংলায় নাটকটি প্রচারিত হবে।