নারী নির্যাতনের শীর্ষ ১০ দেশের তালিকায় ভারত-পাকিস্তান

প্রকাশিত

সারা বিশ্বে নারী নির্যাতনের মাত্রা যেন বাড়ছেই। আর এ উপমহাদেশে নারী নির্যাতনের মাত্রা যেন অন্য সব স্থানের চেয়ে বেড়ে চলেছে। ‘দ্য থমাস রয়টার্স ফাউন্ডেশন’ এ বিষয়ে একটি সমীক্ষা চালায়। ২৬ জুন সেই সমীক্ষার রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে উঠে এসেছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নারী নির্যাতনের ভয়াবহ চিত্র।

দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে ভারত, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান নারী নির্যাতনের দিক দিয়ে বিশ্বের শীর্ষ ১০ দেশে স্থান করে নিয়েছে। বাংলাদেশের অবস্থান সে তুলনায় অবশ্য যথেষ্ট ভালো।

রিপোর্টে প্রকাশ, বিশ্বে নারীদের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক দেশগুলোর তালিকায় শীর্ষে রয়েছে ভারত। নারী নির্যাতনের তালিকায় সবার ওপরে রয়েছে ভারতের নাম। যৌন নির্যাতন ও হেনস্তা, ধর্মীয় প্রথা এবং শ্রম বা যৌন ব্যবসায় সব থেকে বেশি অত্যাচারিত শিকার হন ভারতের নারীরা।

পাকিস্তানে ধর্মীয় গোঁড়ামি ও ‘অনার কিলিং’-এর শিকার হন বহু নারী। সঙ্গে গার্হস্থ্য হিংসা ও যৌন নির্যাতনও অত্যাচারিত এ দেশের নারীরা।

 

 

আফগানিস্তানে আর্থিক দিক থেকে খুবই অত্যাচারিত ও বঞ্চিত নারীরা। এমনকি স্বাস্থ্য রক্ষার জন্যও যেটুকু অর্থের প্রয়োজন তা থেকেও তারা বঞ্চিত।

আফগানিস্তানের মতোই আর্থিক দিক থেকে শোষিত হন সিরিয়ার নারীরা। গার্হস্থ্য হিংসা ও যৌন নির্যাতনেরও শিকার হন নিরিয়ান নারীরা।

কঙ্গোর নারীরা বীভৎস যৌন নির্যাতনের শিকার হন। রাষ্ট্রসঙ্ঘের বিচারে এই দেশ বসবাস করার জন্য ‘নারকীয়’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

পশ্চিমের দেশগুলোর মধ্যে তালিকায় রয়েছে একমাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাম। উন্নতির শিখরে থাকলেও যৌন হেনস্তা, ধর্ষণের জন্য প্রথম বিশ্বের এই উন্নত দেশও রয়েছে।

এক নজরে নারী নির্যাতনের শীর্ষ ১০ দেশ-
১. ভারত
২. আফগানিস্তান
৩. সিরিয়া
৪. সোমালিয়া
৫. সৌদি আরব
৬. পাকিস্তান
৭. কঙ্গো
৮. ইয়েমেন
৯. নাইজেরিয়া
১০. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র