রোহিঙ্গাদের দেখতে আসছেন জাতিসংঘ-কানাডার বিশেষ দূত

প্রকাশিত

ডেস্ক : মিয়ানমারে নিয়োজিত জাতিসংঘের বিশেষ দূত ক্রিস্টিন স্ক্রানার বার্গেনার ও কানাডার বিশেষ দূত বব রে চলতি সপ্তাহে বাংলাদেশ সফরে আসবেন বলে জানা গেছে।

কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, তারা সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা করবেন ও কক্সবাজারে রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবির পরিদর্শনে যাবেন।

সূত্র জানায়, রবিবার সকালে দুই দিনের সফরে বাংলাদেশে আসবেন বব রে। অন্যদিকে আগামী ১২ জুলাই তিন দিনের সফরে বার্গেনারের আসার কথা রয়েছে।

বব রে ঢাকায় আসার পরই রোহিঙ্গাদের দুর্দশা স্বচক্ষে দেখতে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন।

আরো পড়ুন :  ইতালীতে শুরু হচ্ছে “মিস বাংলাদেশ ইতালী ২০১৮”

মিয়ানমারে জাতিগত নিধনের শিকার রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রায় চার লাখ সদস্য কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশে বসবাস করছেন।

তার উপর গত বছরের আগস্টে রাখাইনে দেশটির সেনাবাহিনীর নির্মূল অভিযান থেকে বাঁচতে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে নতুন করে সাত লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন।

কানাডার এই বিশেষ দূত গত বছরের নভেম্বরে প্রথম বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন। চলতি বছরের মে মাসে দ্বিতীয় সফর করেন। এটা হবে বাংলাদেশে তার তৃতীয় সফর।

আরো পড়ুন :  মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সুচির 'উইসেল' পদক প্রত্যাহার করল হলোকাস্ট মিউজিয়াম

গত বছরের অক্টোবরে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো মিয়ানমারের বিশেষ দূত হিসেবে বব রে-কে নিয়ে দেন। এর পর থেকে রাখাইন রাজ্যের সংকট নিরসনে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, গত ২৬ এপ্রিল জাতিসংঘের মহাসচিব বিশেষ দূত হিসেবে নিয়োগ দেয়ার পর বাংলাদেশে প্রথম সফরে বার্গেনার ১২ জুলাই ঢাকায় পৌঁছাবেন।

গত মাসে তিনি মিয়ানমার সফরে যান। সেখানে তিনি মংডুয়ে গিয়ে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন স্থাপনাগুলো পরিদর্শন করেন। নির্যাতনের শিকার রোহিঙ্গাদের ফেলে আসা গ্রামগুলোও তিনি স্বচক্ষে দেখে এসেছেন।

আরো পড়ুন :  কালাইয়ে বি.এন.পি এর মানববন্ধন

ঢাকায় তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী ও অন্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। তিনি কক্সবাজারের গিয়ে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলবেন ও আশ্রয় শিবির পরিদর্শনে যাবেন।

রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে জাতিসংঘ ও মিয়ানমারের মধ্যে সহযোগিতা বাড়াতে কাজ করছেন বার্গেনার। নৃতাত্ত্বিক ও ধর্মীয়ভাবে বিভক্ত রাজ্যটিতে বিভেদ নিরসনেও তিনি সহায়তা করছেন। এছাড়াও মিয়ানমারে শান্তি ফিরিয়ে আনতে চেষ্টায় সহায়তা করছেন বার্গেনার।