কালীগঞ্জের জঙ্গল থেকে হাত পা বাঁধা ও আগুনে পোঁড়া এক পুলিশ ইন্সপেক্টরের লাশ উদ্ধার

প্রকাশিত

মৃণাল চৌধুরী সৈকত :

গাজীপুরের কালীগঞ্জ থানার নাগরী ইউনিয়নের রায়েরদীয়া ধলাবাড়ির টেকের জঙ্গল থেকে  নিখোঁজের তিন দিন পর হাত পা বাঁধা ও আগুনে পোঁড়া  বস্তাবন্দী মামুন ইমরান খান (৩৮) নামে এক পুলিশ ইন্সপেক্টরের লাশ উদ্ধার করেছে কালীগঞ্জ থানা পুলিশ।

গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে নিহত পুলিশ ইন্সপেক্টরের লাশ ময়না তদন্তের জন্য গাজীপুর মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। নিহত ওই পুলিশ ইন্সপেক্টর ঢাকা নবাবগঞ্জ থানার রাজরামপুর গ্রামের আজহার আলী খানের ছেলে। তিনি মালিবাগ এস.বি অফিসে কর্মরত ছিলেন।

জানা যায়, গত রবিবার বিকেলে বনানী চেয়ারম্যন বাড়ী থেকে ওই পুলিশ ইন্সপেক্টর নিখোঁজ হন। নিখোঁজের তিন দিন পর গতকাল মঙ্গলবার সকালে নাগরী ইউনিয়নের রায়েরদীয়া ধলাবাড়ীর টেকের জঙ্গল থেকে হাত পা বাঁধা ও আগুনে পোঁড়া বস্তাবন্দী অবস্থায় ওই ইন্সপেক্টরের লাশ উদ্ধার করে স্থানীয় পুলিশ।

আরো পড়ুন :  টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বিএনপির আহ্বায়কসহ ৪ নেতা গ্রেপ্তার

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, স্থানীয় ছেলে-মেয়েরা লাখড়ি কোঁড়াতে গিয়ে জঙ্গলের ভেতর আগুনে পোঁড়া একটি লাশ দেখেতে পেয়ে চিৎকার করে। পরে তাদের চিৎকার শুনে আশে-পাশের লোকজন দৌঁড়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুনে পোড়াঁ অজ্ঞাত এক ব্যক্তির লাশ দেখতে পায়। পরে স্থানীয়রা  বিষয়টি পুলিশকে অবগত করেন।

খবর পেয়ে উলুখোল ফাঁড়ির ইনচার্জ গোলাম মাওলা ঘটনাস্থলে যায়। পরে বিষয়টি সে তার ঊর্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করলে গাজীপুরের পুলিশ সুপার হারুন অর রশীদ বিপিএম, পিপি এমবার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গোলাম সবুর, কালীগঞ্জ-কাপাসিয়া সাকের্ল এসপি পংকজ দত্ত, ওসি আবু বকর মিয়া, ওসি তদন্ত তারিকুল ইসলাম, ঢাকা মালিবাগের স্পেশাল ব্রাঞ্চের ওসি সৈয়দ নাসেরসহ পুলিশের বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তাগণ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

আরো পড়ুন :  ময়মনসিংহ গফরগাঁওয়ে অস্ত্রসহ ৩ ‘ডাকাত’ গ্রেফতার

এ বিষয়ে গাজীপুরের পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ বিপিএম, পিপিএমবার এপ্রতিনিধিকে জানান, নিহত পুলিশ ইন্সপেক্টর মামুন ইমরান খাঁন। তাকে গত তিন দিন পূর্বে বনানীর চেয়ারম্যন বাড়ি এলাকার একটি বাসা থেকে কতিপয় সন্ত্রাসীরা তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরে তাকে হাত পা বেধে হত্যা করে লাশটি আগুনে পুড়িয়ে নিশ্চিন্ন করার চেষ্টা করে ওই সন্ত্রাসীরা। সন্ত্রাসীদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যহত রয়েছে। হত্যাকারী যেই হোক না কেন  দ্রুত তাদেরকে আটক করে আইনের আওতায় আনা হবে।

##

8Shares