পাকিস্তানে নির্বাচনী সমাবেশে আত্মঘাতী হামলা, নিহত ১৪

প্রকাশিত

ডেস্ক : পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের শহর পেশোয়ারে একটি নির্বাচনী সমাবেশে আত্মঘাতী বোমা হামলায় কমপক্ষে ১৪ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে স্থানীয় রাজনীতিক হারুন বিলোয়ার রয়েছেন।

মঙ্গলবার (১০ জুলাই) এ আত্মঘাতী বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। খবর- কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার।

স্থানীয় পুলিশ প্রধানের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, মঙ্গলবার আওয়ামী ন্যাশনাল পার্টি-এএনপি’র নির্বাচনি প্রচারণামূলক সমাবেশে হামলায় কমপক্ষে আরও ৬৫ জন আহত হয়েছেন।

হারুন বিলোয়ার আগামী ২৫ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনের প্রার্থী ছিলেন। তার বাবাও এএনপি’র বড় নেতা ছিলেন। ২০১২ সালের আরেক আত্মঘাতী হামলায় তিনি নিহত হন। হারুন প্রায় ২০০ সমর্থকের উদ্দেশে বক্তব্য দেওয়ার উদ্দেশে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে হামলাকারী বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়।

আরো পড়ুন :  কান্নাই যাদের পেশা!

স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা শাফকাত মালিক ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি’কে বলেন, প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে এটি একটি আত্মঘাতী হামলা আর হারুন বিলোয়ারই এর লক্ষ্য ছিলেন। তবে এখন পর্যন্ত কোনও পক্ষই মঙ্গলবারের হামলার দায় স্বীকার করেনি।

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ থেকে আল জাজিরার প্রতিবেদক কামাল হায়দার বলেন, বিলোয়ার একটি জনবহুল ও সরু এলাকায় পৌঁছানোর পরই এই হামলার ঘটনা ঘটে। তিনি বলেন, বিলোয়ার গাড়ি থেকে নামার সময়ই হামলাকারী সামান্য দূর থেকে বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়।

স্থানীয় টেলিভিশনের খবরে দেখা গেছে, ঘটনাস্থল থেকে বেশ কয়েকটি অ্যাম্বুলেন্সে করে ভুক্তভোগীদের হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে। অনেক মানুষ চিৎকার করে কাঁদছেন। বিলোয়ার পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখা প্রদেশে রাজধানী পেশোয়ারের এক প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবার থেকে এসেছেন। ২০১৩ সালের নির্বাচনেও তালেবানের প্রধান লক্ষ্য ছিল এএনপি।

আরো পড়ুন :  বোন ভিডিও করল ভাইয়ের ধর্ষণের দৃশ্য!

পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র জাতীয় নির্বাচনের আগে নিরাপত্তা হুমকির কথা বলে সতর্ক করে দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর এই হামলার ঘটনা ঘটলো। হায়দার বলেন, পাকিস্তানে অনেক দিন ধরে থাকা শান্ত পরিস্থিতি রাজনীতিকদের বাইরে বের হতে উদ্বুদ্ধ করেছে। কিন্তু এই হামলার পর দেখা যাচ্ছে পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে। অনেক রাজনীতিক দলের নির্বাচনি প্রচারণায় এই ঘটনা প্রভাব ফেলবে।

Shares