উত্তরা ক্লাব ও টঙ্গীর জাবান হোটেলে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মাদকবিরোধী অভিযান

প্রকাশিত

নিজস্ব প্রতিবেদক :
রাজধানীতে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধ মদসহ বিভিন্ন নেশাজাতীয় দ্রব্য বিক্রির অভিযোগে টঙ্গীর আমতলী এলাকার ‘জাবান হোটেল’ এবং রাজধানী উত্তরার ‘উত্তরা ক্লাবে’ গত দুদিন মাদকবিরোধী ঝটিকা অভিযান চালিয়েছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর কর্তৃপক্ষ।


শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) ড. মো. সহিদুল ইসলাম জানান, শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক কাজী মোহাম্মদ জিয়া উদ্দিনের নেতৃত্বে একটি টিম উত্তরা ক্লাবে অভিযান চালায়। তিনি জানান, শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে  বিমানবন্দর থানার ১ নম্বর সেক্টরে অবস্থিত উত্তরা ক্লাব এবং টঙ্গীর আমতলী এলাকায় জাবান হোটেলে অভিযান করে। অভিযান চলাকালে উত্তরা ক্লাব ও জাবান হোটেল থেকে বিপুল পরিমান অবৈধ বিদেশী মদ ও অন্যান্য মাদকদ্রব্য উদ্বার করা হয়। উত্তরা ক্লাব বা জাবান হোটেল কর্তৃপক্ষ বৈধ কোন কাগজপত্র আমাদেরকে দেখাতে পারেনি।
তিনি আরো জানান, উত্তরা ক্লাবের কাগজপত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। আর জাবান হোটেলের কোন বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। ওই হোটেলের ৩ কর্মচারীকে আটক করে মামলা শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

আরো পড়ুন :  নারায়গঞ্জের ঘটনার ভিডিও ফুটেজ পুলিশের কাছে আছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা আরো জানান, উত্তরা ক্লাব ও জাবান হোটেলের বিরুদ্ধে শুল্কমুক্ত সুবিধার মদ বিক্রির অভিযোগ দীর্ঘদিনের। তারা বিপুল পরিমান রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে কোটি কোটি টাকার মদ বিক্রি করে আসছিল। সুনিদিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের ওখানে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমান মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে। এব্যাপারে মামলা হয়েছে।।
বিমানবন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: নূরে আযম মিয়া জানান, শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা  উত্তরা ক্লাবে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করছেন সেটা আমার জানা নেই। আমাদেরকে বিষয়টি জানানো হয়নি।
এদিকে টঙ্গী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কামাল উদ্দিন জানান, শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জাবানে অভিযান চালিয়ে ৩ জনকে বিপুল পরিমান মদসহ আটক করে মামলা দিয়েছেন, এর বাইওে আমার কিছু জানা নেই।
##

4Shares