পাকিস্তানে ১৪টি বালিকা বিদ্যালয় পুড়িয়ে দিল কারা?

প্রকাশিত

শনিবার পাকিস্তানের উত্তরাঞ্চলে আরো একটি বালিকা বিদ্যালয় পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। ফলে গত কয়েকদিনে ওই অঞ্চলে অন্তত ১৪টি বিদ্যালয় পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

এটা কি দুর্ঘটনা নাকি নাশকতা তা অনুসন্ধান করে দুদিনের মধ্যে প্রতিবেদেন দেয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি মিয়া সাদিক নাসির। এ পর্যন্ত ১৮ জন সন্দেহভাজনকে আটক করেছে পাকিস্তান পুলিশ।

এসব ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ জানিয়েছেন নোবেল বিজয়ী পাকিস্তানী মালালা ইউসুফজাই। এক টুইট বার্তায় তিনি বলেন, নারীকে বই হাতে দেখলেই উগ্রবাদীরা ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে উঠে। শিগগিরই ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয়গুলো মেরামতের আশাবাদ জানান মালালা।

আরো পড়ুন :  মুলতানি কিসসা: বোনকে কাছে রাখতে নিজ স্বামীর সঙ্গে বিয়ে! (ভিডিওসহ)

গভীর রাতে প্রবল বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছিল। সকালে এলাকাবাসী দেখলেন একটার পর এক স্কুল আগুনে পুড়ে গিয়েছে। ছাত্র-ছাত্রীদের বই খাতা সব ছড়িয়ে ছিটিয়ে। কে করল, কারা এমন আগুন ধরিয়ে দিয়েছে কিছুই জানা যায়নি। কোনও জঙ্গি সংগঠন দায় স্বীকার করেনি। তাহলে কারা এমন কাণ্ড ঘটালো? পাকিস্তান জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে এই প্রশ্ন।

গিলগিট-বালতিস্তান এলাকার দাইমার জেলায় বিদ্যালয়গুলো জ্বালিয়ে দেওয়া হয় বৃহস্পতিবার ও শনিবার রাতে। স্থানীয় পুলিশ প্রধান রায় আজমল জানিয়েছেন, তদন্ত চলছে। বেশিরভাগ বিদ্যালয় প্রবল ক্ষতিগ্রস্ত। সেখানে এখনই পঠন-পাঠন চালু করা সম্ভব নয়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, রাতে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছিল।

আরো পড়ুন :  বেশির ভাগ সরকারি গাড়ির লাইসেন্স নেই

পুড়ে যাওয়া ১৪টি স্কুল প্রাথমিক শিক্ষাকেন্দ্র। গিলগিট-বালতিস্তানের শিক্ষার হার এমনিতেই খুব কম। সেই কারণে বিদ্যালয়গুলি চালু করা হয়েছিল। পুড়ে যাওয়া ১২টি বিদ্যালয়ের বেশিরভাগ পড়ুয়া হল স্থানীয় কিশোরীরা। প্রশ্ন উঠছে, নারীদের মধ্যে শিক্ষার হার ছড়িয়ে পড়া রুখতেই কি আগুন ধরিয়ে দেওয়া হল এতগুলো স্কুলে।

3Shares