মহানগর আওয়ামী মহিলালীগ নেত্রীর ভাই টঙ্গীর শীর্ষ সন্ত্রাসী ঈসমাইলসহ গ্রেফতার-৩

প্রকাশিত

মৃণাল চৌধুরী সৈকত :
টঙ্গী সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের কর্মী শাহাদাত হোসেন সাদু (২৪) কে কলেজ গেইট এলাকা থেকে তুলে নিয়ে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টার অভিযোগে টঙ্গীর আউচপাড়া এলাকার বাসিন্দা মৃত আবুল কাশেম ভুল্লুকের ছেলে এবং মহানগর আওয়ামী মহিলালীগ নেত্রী আয়েশা আক্তার আশার ছোট ভাই টঙ্গীর শীর্ষ সন্ত্রাসী মো. ঈসমাইল হোসেনসহ ৩ জনকে বুধবার সন্ধ্যায় গ্রেফতার করেছে টঙ্গী থানা পুলিশ ।
জানা যায়, বর্তমান সরকারের আমলে সন্ত্রাসী ঈসমাইল কম করে ১০ বার বিভিন্ন অপরাধে আইনশৃংখলা বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হলেও আইনের ফাঁ-ফোঁকরে কিছুদিন যেতে না যেতেই জামিনে বেরিয়ে এসে আবারো বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। পরিবার থেকে দাবী করা হয় সে মাদকাসক্ত এবং মাথায় সমস্যা রয়েছে। তার বোন আয়েশা আক্তার আশার দাবী, তিনি নিজে জেলা ডিবি পুলিশ এবং টঙ্গী থানা পুলিশকে লিখিত দিয়েছিলো তার ভাই ঈসমাইলকে ধরে নিয়ে রিহ্যাবে দিতে !
আরো জানা যায়, সে টঙ্গীর চেরাগআলী, কলেজ গেইট, আউচপাড়া, সুর-তরঙ্গ রোডে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজীসহ ফুটপাতের দোকান থেকে প্রতি মাসে লক্ষাধিক টাকা চাঁদা আদায় করে থাকে বলেও অভিযোগ রয়েছে ।
গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে টঙ্গী সরকারী কলেজের বিবিএস দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ও সক্রিয় ছাত্রলীগ নেতা শাহাদত হোসেন সাদু (২৪) কে কলেজ গেইট এলাকা থেকে ধরে নিয়ে সুরতরঙ্গ রোডের একটি বহুতল বাড়ির দ্বিতীয় তলায় আটকিয়ে তাকে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা করে । এঘটনায় কলেজ ছাত্রলীগ কর্মীরা প্রায় ঘন্টা ব্যাপী ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে সন্ত্রাসী ঈমাইল হোসেনকে দ্রুত গ্রেফতার ও সাদুকে উদ্ধারের দাবী জানায় । পরে স্থানীয় কাউন্সিলর মো.নাসির উদ্দিন মোল্লা স্থানীয় লোকজনসহ ছাত্রলীগ নেতাদের সাথে নিয়ে টঙ্গী থানার অফিসার্স ইনচার্জ ওসি মো: কামাল হোসেন, ওসি তদন্ত মো. হাসানুজ্জামানসহ একদল পুলিশের সহযোগীতায় গভীর রাতে ওই বিল্ডিংয়ের ২য় তলা থেকে সাদুকে উদ্ধার করে টঙ্গী সরকারী হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। এঘটনায় গতকাল সন্ধ্যায় টঙ্গী থেকে থানা পুলিশ সন্ত্রাসী ঈসমাইলকে গ্রেফতার করেছে, তার সহযোগীদেরও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। এঘটনায় মামলা হয়েছে।
##

আরো পড়ুন :  কালীগঞ্জে ঈদ সামগ্রী বিতরণ