হোটেল জাবানের নারী কর্মীরা কি সারারাত হোটেলে তাহাজ্জুত নামাজ পড়েন ?!

প্রকাশিত

তুহিন সারোয়ার- গাজীপুর টঙ্গীতে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ দেয়ায় সাংবাদিক কাজী রফিক কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার তাকে গাজীপুর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, গত রোববার ভোর রাতে কাজী রফিক অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে হোটেলে যান। রাত আড়াইটার দিকে হোটেলের ৮ম তলার রেস্টরুমে কর্মরত একজন ওয়েটারকে (২০) কুপ্রস্তাব দিয়ে হাত ধরে টানাটানি শুরু করেন। তার হাত থেকে রক্ষা পেতে ওই ওয়েটার হোটেলের দোতলায় গিয়ে আশ্রয় নেন। ভোর পৌনে ৫টায় হোটেলের নারী কর্মী ডিউটি শেষে বাসায় যাওয়ার প্রস্তুতি নিলে কাজী রফিক দোতলায় গিয়ে মেয়েটিকে একা পেয়ে ঝাপটে ধরেন। এ সময় তাকে ধর্ষণের চেষ্টা চালান। জনশ্রুতি রয়েছ ওই মেয়েটি এরেঞ্জার জসিমের নিয়ন্ত্রেন থাকা হোটেল জাবানের একজন নিয়মিত নর্তকি । প্রশ্ন হচ্ছে, একজন নর্তকি থাকা সত্বেও ওই মেয়ে কি করে ঘন্টা কয়েকের ব্যবধানে ওয়েটার পদে আসিন হলো ? তাছাড়া অভিজাত একটি আবাসিক হোটেলে ভোর পৌনে ৫টায় হোটেলের নারী কর্মীরা কি হোটেল জাভান এ সারারাত তাহাজ্জুত নামাজ পড়েন ?  যে হোটেলে নিয়মিত দেশী-বিদেশী বিভিন্ন শ্রেনী পেশার বিভিন্ন বয়সের নারী পুরুষের সমাগমে মদের আসরের পাশাপাশি ডিজে পাটিসহ রুমে রুমে চলে অসামাজিক কার্যকলাপ। কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগীতায় হোটেলটির কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। হোটেলে মাদকের (বার) আড্ডায় অভিজাত শ্রেণির যুবক-যুবতীদের নিয়মিত আনাগোনা লক্ষ্য করা যায়। মূলত মাদকের কারবার ও অসামাজিক কাজের জন্যই হোটেলটি চালু করা হয়েছে। ইতোপূর্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত ওই হোটেলে অভিযান চালিয়ে পতিতা ও খদ্দেরসহ বেশ কয়েকজনকে আটক করে জেলহাজতে পাঠান। আর সেই হোটেলের নারী কর্মীকে ধর্ষণের চেষ্টা চালান সাংবাদিক কাজী রফিক ??  ইতোপূর্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং ঢাকা বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক মোঃ ফজলুর রহমানের নেতৃত্বে একটি দল জাভান হোটেলে বিশেষ অভিযান চালায় । এ সময় হোটেল থেকে ২ লাখ ১৫ হাজার টাকার সমমূল্যের ৩৬ লিটার বিলাতি মদ ও ৭২ ক্যান হ্যানিক্যান বিয়ার, যৌনবর্ধক ওষুধ ও তিনটি মোবাইল ফোনসেট উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় কাউন্টার থেকে প্রতিষ্ঠানটির তত্ত্বাবধায়ক তুহিন আহমেদ, ম্যানেজার মোঃ হুমায়ুন কবির ও ক্যাশিয়ার শাহরিয়ার আহমেদকে আটক করা হয়। পরে কাউন্টারের নিচ থেকে মদের বোতল ও বিয়ারের ক্যানগুলো উদ্ধারের পর জব্দ করা হয়। ডিএনসি’র সহকারী পরিচালক খুরশিদ আলম বলেন, লাইসেন্স না নিয়ে অবৈধভাবে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই প্রকাশ্যে হোটেলটিতে মদ ও বিয়ার বিক্রি করা হয়। সেখানে প্রতি রাতে ডিজে পার্টিসহ নানা ধরনের অসামাজিক কার্যকলাপ চলে প্রতিনিয়ত। ওই এলাকায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের কার্যালয় থাকার পরও কেন সেখানে সদর দফতরের দলকে অভিযান চালাতে হয়েছে ??

আরো পড়ুন :  প্রধান অতিথি ফখরুল, শুক্রবার জাতীয় পার্টির আলোচনা সভা!

কাজী রফিকের সঙ্গে একজন এরেঞ্জারকে কেন্দ্র করে হোটেলের ম্যানেজার কর্তৃক নিয়োগকৃত এবং হোটেল মালিকের একান্ত বিশ্বস্থ কর্মকর্তা বাবুর পাটনার এরেঞ্জার জসিমের মধ্যকার বিরোধের জের ধরে এরেঞ্জার জসিমের ভাড়া করা নর্তকিকে দিয়ে পূর্বপরিকল্পিত এবং সাঁজানো মিথ্যা মামলায় ইত্তেফাকের সাংবাদিক কাজী রফিক কে গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদসহ নিঃশর্ত মুক্তির দাবী উঠেছে হোটেল জাভান এর কার্যক্রম সর্ম্পকিত জ্ঞাত লোকসমাজে । আমরাও এই উদ্দেশ্যমূলক মামলার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই ।।

101Shares