সাহিত্য হচ্ছে উন্নত জাতির চাবিকাঠি -ড. আনিসুজ্জামান

প্রকাশিত

সাহিত্য হচ্ছে উন্নত জাতির চাবিকাঠি। আর সাহিত্যের প্রাণ হচ্ছে কবি-সাহিত্যিকেরা। তাই উন্নত জতি গঠনে তাঁদের ভূমিকা অপরিসীম। গতকাল লেখাপ্রকাশ ও ফাদার বেঞ্জামিন কস্তা স্মৃতি পরিষদ আয়োজিত ফাদার বেঞ্জামিন কস্তার প্রবন্ধসমগ্র’র প্রকাশনা উৎসব ও লেখাপ্রকাশ’র সাহিত্য পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেছেন। তিনি বলেন, কবি-সাহিত্যিকদের স্বীকৃতি দিয়ে মূল্যায়ন করতে হয়। সেই ঐতিহাসিক কাজটিই করে যাচ্ছেন লেখাপ্রকাশ’র স্বত্বাধিকারী কবি বিপ্লব ফারুক। তিনি আরো বলেন, ফাদার বেঞ্জামিন কস্তা ছিলেন প-িত ব্যক্তি। অসাম্প্রদায়িক সদা মনের খৃস্টান ধর্মযাজক। ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন, কবি বিপ্লব ফারুক যে কাজটি করছেন, তাহলো ‘মফস্বলগাঁথা। শিক্ষিত মানুষের লেখা গ্রন্থ প্রকাশ করে আবার পুরস্কৃতও করছেন। তাঁর এই ঐতিহাসিক কর্ম একদিন গবেষণার বিষয় হবে। দেশবরেণ্য সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, সাংবাদিক কামাল লোহানীর সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে উদ্বোধক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। বিশেষ অতিথি ছিলেন যথাক্রমেÑ কবি আমিনুল ইসলাম, ফাদার আদম এস পেরেরা, ড. ফাদার হেমন্ত পিউস রোজারিও, এড. ফজলুল হক খান ফরিদ, কবি মাহমুদ কামাল প্রমুখ। মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন ড. মুহাম্মদ জমির হোসেন। প্রধান আলোচক ছিলেন ড. শাকির সবুর। স্বাগত বক্তব্য রাখেন কবি বিপ্লব ফারুক। কামাল লোহানী সভাপতির বক্তব্যে বলেন, কবি বিপ্লব ফারুক এক যুগ ধরে সারা দেশে বসবাসরত কবি-সাহিত্যিকদের মাঝে এই সাহিত্য পুরস্কার প্রদান করে ঐতিহাসিক কাজ করে যাচ্ছেন। আর ফাদার বেঞ্জামিন কস্তা ছিলেন দেশের সম্পদ। তাঁর মৃত্যুতে আমরা হারিয়েছি কৃতিসন্তান। অনুষ্ঠানে অন্যান্য অতিথিরা বলেন, বিপ্লব ফারুক নিজে কবি বলেই কবি-সাহিত্যিকদের  প্রতিভার মূল্যায়নসহ স্বীকৃতি দিতে ব্যক্তিগত উদ্যোগে পুরস্কার প্রদান করছেন। তাঁর এই মহৎ কর্ম একদিন বাংলা সাহিত্যে ইতিহাসের অধ্যায় হবে। তারা আরো বলেন, বাংলাদেশের শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রেখে গেছেন ফাদার বেঞ্জামিন কস্তা।

আরো পড়ুন :  বাড়ল স্বর্ণের দাম

লেখাপ্রকাশ-এর স্বত্বাধিকারী কবি বিপ্লব ফারুক প্রবর্তিত ১২টি সাহিত্য পুরস্কারের নাম হচ্ছেÑ নজরুল সাহিত্য পুরস্কার, জসীমউদ্দীন সাহিত্য পুরস্কার, মওলানা ভাসানী সাহিত্য পুরস্কার, মাদার তেরেসা সাহিত্য পুরস্কার, চে’গুয়েভারা সাহিত্য পুরস্কার, শামছুল হক সাহিত্য পুরস্কার, শাহরিয়ার হাসান সাহিত্য পুরস্কার, শিশুকবি রকি সাহিত্য পুরস্কার, ড. আনিছুর রহমান সাহিত্য পুরস্কার, চিত্তরঞ্জন সাহা সাহিত্য পুরস্কার, সুকান্ত সাহিত্য পুরস্কার, ফাদার বেঞ্জামিন কস্তা সাহিত্য পুরস্কার। এই ১২টি সাহিত্য পুরস্কারে জাতীয় পর্যায়ে পুরস্কৃতরা হলেন-কবিতায় বায়তুল্লাহ কাদেরী, উপন্যাসে ইসহাক খান ও মোহাম্মদ আলী মিয়া। আইন প্রবন্ধে সাঈদ আহ্মেদ। প্রবন্ধে ফাদার অমিয় মিস্ত্রী। গবেষণা প্রবন্ধে ড. ফাদার হেমন্ত পিউস রোজারিও সিএসসি। গীতিকবিতায় সাখাওয়াৎ শাওন। ছড়ায় নুরুল আলম কলি ও নাসিরুদ্দীন তুসী। কিশোরগল্পে শাহজাহান আবদালী। ছোটগল্পে জয়নুল আবেদীন। বড়গল্পে শাহানা সুলতানা। কলামে রফিকুল ইসলাম রতন। রাজনৈতিক প্রবন্ধে এড. এস আকবর খান। অনুবাদে ড. শামীম আরা। প্রচ্ছদে অরূপ মান্দী। প্রবাসীকবিতায় শাকিল রিয়াজ। মরণোত্তর কবিতায় মুজাফফর আলী তালুকদার। প্রকাশনায় চারুলিপি প্রকাশন। শিক্ষা সেবায় মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান অব.। সুশিক্ষা বিস্তারে নটরডেম কলেজ। সঙ্গীতসাহিত্যে এলেন মল্লিক। নাট্যসাহিত্যে মাইনউদ্দিন মানিক। ভ্রমণ সাহিত্যে ডা. কামরুল আহসান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Shares