ইরাকে সুন্দরী নারীরা কেন হত্যার লক্ষ্যবস্তু

প্রকাশিত

সম্প্রতি ইরাকের রাজধানী বাগদাদের রাস্তায় গুলিতে নিহত হয়েছেন ইরাকি মডেল, ফ্যাশন ব্লগার ও সাবেক ‘মিস বাগদাদ’ তারা ফারেজ। এবার আরেক সাবেক মিস ইরাক খেতাব জয়ী সিমা কাসেম জানিয়েছেন তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে।

কেন ইরাকের সুন্দরী প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহংকারী এ সব নারী বা মডেলদের টার্গেট করা হচ্ছে? সিমা কাসেম বলেছেন, ‘তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে এই বলে যে তিনি হবেন হত্যাকারীদের পরবর্তী টার্গেট।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা এক ভিডিওতে কান্নাভেজা কণ্ঠে এ কথা জানান সিমা। সিমা কাসেমের ইনস্টাগ্রামে ২৭ লাখ ফলোয়ার রয়েছে।

২৭ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার গাড়ি চালিয়ে যাওয়ার সময় ২২ বছর বয়সী তারকা মডেল তারা ফারেজকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। তার ইনস্টাগ্রামে ২৮ লাখ ফলোয়ার ছিল।

 

 

 

মডেল ফারেজ গুলিবিদ্ধ হওয়ার দুই দিন আগে বাগদাদের দক্ষিণ শহর বসরায় গুলিবিদ্ধ হন নারী অধিকারকর্মী সৌদ আল-আলী। এ ছাড়া ১৬ আগস্ট রহস্যজনকভাবে মারা যান বাগদাদের একটি বিউটি পার্লারের মালিক রাফিফ আল-ইয়াসেরি। এর এক সপ্তাহ পরে মারা যান আরেক বিউটি পার্লার মালিক রাসা আল-হাসান।

বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এটা পরিষ্কার না এই হত্যাকাণ্ডগুলোর একটার সঙ্গে আরেকটার কোনো যোগসূত্র আছে কি না।

ইরাকের প্রধানমন্ত্রী হায়দার আল আবাদী বলেছেন, হত্যাকাণ্ডগুলো সুপরিকল্পিত। তিনি ইতোমধ্যে হত্যাকাণ্ডগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন।

এ বিষয়ে ইরাকের হিউম্যান রাইটস গ্রুপ ইরাকি আল আমাল অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা হানা এডওয়ার বলেছেন, যেসব নারীরা ‘পাবলিক ফিগার’ তাদেরকে আঘাত করার অর্থ অন্য নারীদের ঘরে বন্দী থাকতে বাধ্য করার একটা পরিবেশ তৈরি করা।