হাকালুকি হাওরে অতিথি পাখির আগমনে সংঘবদ্ধ চক্র তৎপর হয়ে উঠেছে !

প্রকাশিত

সৈয়দ মুন্তাছির রিমন ::অতিথি পাখি কলকাকলিতে পাল্টে যাচ্ছে ছোট বড় ২৩৮টি বিল, ১০টি নদী নিয়ে গঠিত প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যরে লীলাভূমি মৌলভীবাজার জেলার অবস্থিত বাংলাদেশের অন্যতম হাওরহাকালুকি।এরপরও এশিয়ার বৃহত্তর হাওর হাকালুকিতে ধীরে ধীরে ঝাঁকে ঝাঁকে আসতে শুরু করেছে অতিথি পাখিরা।ভিনদেশী বিচিত্র রঙের এসব অতিথি পাখি হাকালুকি হাওরে আসা শত শত পর্যটকদের মধ্যে বিনোদনের অন্যতম খোরাক। এসব পাখিদের দেখতে ইতিমধ্যে হাকালুকির পাড়ে পাড়ে উৎসব মুখর মানুষের আগমন শুরু হয়।হাকালুকি হাওরে অতিথি পাখির আগমনের শুরুতেই অসাধু শিকারীরা তৎপর হয়ে উঠেছে। সংঘবদ্ধ শিকারী চক্রের হাতে প্রতিদিন ধরা পড়ছে পৃথিবীর শীতপ্রধান বিভিন্ন দেশ থেকে ছুটে আসা অতিথি পাখি। বুধবার সকালে বিক্রির সময় পুলিশ হাঁস জাতীয় পাঁচটি অতিথি পাখিসহ ১ অসাধু শিকারীকে গ্রেফতার করেছে। ভ্রাম্যমান আদালত গ্রেফতার শিকারী বদরুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে। সে বড়লেখা উপজেলার সুজানগর ইউনিয়নের রফিনগর গ্রামের মৃত সফিক আলীর ছেলে। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ইউএনও মুহাম্মদ সুহেল মাহমুদ। পরে জব্দ পাখি গুলো হাওর পাড়ে অবমুক্ত করা হয়।

আরো পড়ুন :  নারায়ণগঞ্জে হত্যা মামলায় ৪ জনের ফাঁসি

জানা গেছে, এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ জলাভুমি হাকালুকি হাওরে প্রতি বছর অক্টোবরের প্রথম থেকে পৃথিবীর শীতপ্রধান নানা দেশ থেকে অতিথি পাখি আসতে থাকে। নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত হাওরের জলাশয়গুলো (বিল) এসব অতিথি পাখির কলতানে মূখরিত হয়ে উঠে। এবার হাওরে পাখি আসা শুরু করতেই আসাধু শিকারীরা তৎপরতা শুরু করে। বিভিন্ন ধরণের জাল দিয়ে পাখি শিকার করে অসাধু শিকারীরা হাওরপাড়ের আজিমগঞ্জ বাজার, দাসেরবাজার, ফকিরবাজার, কানুনগো বাজার ও চান্দগ্রাম বাজারে ছড়া দামে বিক্রি করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার সকালে বড়লেখা থানার এসআই জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে পুলিশ আজিমগঞ্জ বাজারে অভিযান চালিয়ে পাঁচটি অতিথি পাখিসহ অসাধু পাখি শিকারী বদরুল ইসলামকে গ্রেফতার করে।

আরো পড়ুন :  ডি মারিয়ার জোড়া গোল পিএসজিকে সেমিতে তুলতে

ইউএনও মুহাম্মদ সুহেল মাহমুদ জানান, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে গ্রেফতার অসাধু পাখি শিকারী বদরুলকে ৫ হাজার টাকা জরিমান করেছেন। এছাড়া জব্দ হাঁস জাতীয় অতিথি পাখিগুলো হাওরপাড়ে অবমুক্ত করা হয়। অসাধু শিকারীদের বিরুদ্ধে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

2Shares