আজ উত্তরা প্রকল্পের আরও ২৬০০ ফ্ল্যাটের লটারি

প্রকাশিত

উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পের ২ হাজার ৬০০ ফ্ল্যাট নম্বর (আইডি) দেওয়ার জন্য আজ রোববার লটারি হবে। রাজউকের এই প্রকল্পে বরাদ্দ পেয়ে যাঁরা চারটি কিস্তির টাকা পরিশোধ করেছেন তাঁদের নিয়েই লটারি অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর প্রথম দফার লটারিতে ৮৩৭টি ফ্ল্যাটের নম্বর দেওয়া হয়।

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান আবদুর রহমান শুক্রবার প্রথম আলোকে বলেন, রাজউক মিলনায়তনে জায়গার সংকুলান না হওয়ায় এবারের লটারি বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে রোববার সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে। প্রকল্পের ‘এ’ ব্লকের বাকি ৩ হাজার ফ্ল্যাট আগামী মার্চের মধ্যে সম্পূর্ণ তৈরি হয়ে যাবে।

রাজউক সূত্র জানায়, ১ হাজার ৬৫৪ বর্গফুটের (মূল সাড়ে ১২০০) ফ্ল্যাটের প্রতি বর্গফুটের দাম ৩ হাজার ৫০০ টাকা। মোট দাম ৫৭ লাখ ২৫ হাজার টাকা। চার কিস্তির মাধ্যমে এর অর্ধেক টাকা পরিশোধ হয়েছে। বাকি চার কিস্তির টাকার সঙ্গে ৯ শতাংশ করে সুদ দিতে হবে।

আরো পড়ুন :  এসএসসির কোনো পরীক্ষা বাতিল হচ্ছে না

সুদের বিষয়টি নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে। গত বুধবার রাজউক ভবনের অ্যাপার্টমেন্ট সেলে এবং জনতা ব্যাংক রাজউক শাখার সামনে কয়েকজন গ্রাহকের সঙ্গে কথা হয়। মিরপুরের বাসিন্দা আবদুর রশীদ, মোহাম্মদপুরের সাইফুল হক, লালমাটিয়ার মো. সোলায়মান, খিলগাঁওয়ের আবদুর রহমান এবং কুমিল্লার দাউদকান্দির রহমতউল্লাহর বক্তব্য, একসঙ্গে অর্ধেক টাকা দেওয়ার সামর্থ্য তাঁদের নেই। রাজউকের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ একটি ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার সুবিধার কথা বলা হচ্ছে। সেখানেও সুদ দিতে হবে। ফ্ল্যাটের মোট ৫৭ লাখ ২৫ হাজার টাকা ছাড়াও বিদ্যুৎ, পানি ও গ্যাস-সংযোগ এবং গ্যারেজ বাবদ তাঁদের আরও ৫ লাখ টাকা দিতে হবে। ফ্ল্যাটের নিবন্ধনও করতে হবে।

আরো পড়ুন :  প্রাক্তন চেয়ারম্যানসহ ৭ ব্যাংকারকে তলব : ১৬৫ কোটি টাকা পাচার!

রাজউকের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পের উপপরিচালক মোজাফফর উদ্দিন বলেন, প্রকল্পের প্রসপেক্টাসে শেষের চার কিস্তির টাকার সঙ্গে সুদ দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ ছিল। প্রথমে ১২ শতাংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত ছিল। পরে ৩ শতাংশ কমিয়ে ৯ শতাংশ করা হয়।

গত ১০ সেপ্টেম্বর লটারির মাধ্যমে যাঁরা ফ্ল্যাটের আইডি নম্বর পেয়েছেন তাঁদের অনেকেই ফ্ল্যাট দেখে এসেছেন বলে জানিয়েছেন। এ ব্লকে মোট সাড়ে পাঁচ কিলোমিটার সড়কের সংস্কারের কাজ চলছে। দ্রুত এ কাজ শেষ হবে বলে প্রকল্প পরিচালকের দপ্তর থেকে জানানো হয়। প্রকল্পে ঢাকা ওয়াসার পানির পাইপলাইন এবং ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানির বৈদ্যুতিক লাইন বসানোর কাজ আগেই শেষ হয়েছে। গ্যাস-সংযোগ হচ্ছে এলপিজি সিলিন্ডারের মাধ্যমে।

Shares