নতুন আইপ্যাড প্রো :এক নজরে যা কিছু নতুন

প্রকাশিত

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ডেস্ক :আগামী ৭ নভেম্বর অ্যাপল অবমুক্ত করতে যাচ্ছে জনপ্রিয় ট্যাবলেট পিসি আইপ্যাড প্রো’র দুটি নতুন সংস্করণ। এতে থাকছে নতুন কিছু ফিচার। আগের সংস্করণগুলোর তুলনায় এর ডিজাইনেও আসছে বেশ কিছু পরিবর্তন। চলুন এক নজরে দেখে নেয়া যাক, কি কি পরিবর্তন আসছে নতুন আইপ্যাড প্রোতে।

লিক্যুইড রেটিনা ডিসপ্লে
নতুন ‘আইপ্যাড প্রো’ ট্যাবলেট পিসিতে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনটি এসেছে এর স্ক্রিনে। ১১ ইঞ্চি এবং ১২.৯ ইঞ্চি স্ক্রিনের দুটি মডেলেই লিক্যুইড রেটিনা ডিসপ্লে সত্যিই মনোমুগ্ধকর। তবে নতুন এই স্ক্রিনে কোনো হোম বাটন নেই।

হোম বাটন না থাকলেও এতে রয়েছে আইফোন ১০এস এবং ১০এস ম্যাক্স অ্যাক্টিভেশন মোড। যার মাধ্যমে হোম বাটন স্পর্শ না করেই আপনি স্ক্রিনে স্ক্রল করতে পারবেন।

ফেস আইডি (কোনো টাচ আইডি থাকছে না)
যেহেতু নতুন আইপ্যাড প্রো-তে কোনো হোম বাটন থাকছে না তাই ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সরও কাজ করবে না। আর তাই এটিতে টাচ আইডির পরিবর্তে অ্যাপল যুক্ত করেছে ফেস আইডি। অ্যাপল দাবি করেছে, এই ফেস আইডি সিস্টেম অত্যন্ত নিরাপদ।

আরো পড়ুন :  স্প্যানিশ রীতিতে নববর্ষ পালন করতে গিয়ে শিশুর মৃত্যু

ইউএসবি-সি
আইপ্যাড প্রো-তে যুক্ত করা হয়েছে সার্বজনীন ইউএসবি-সি। যার ফলে এই আইপ্যাডটির সঙ্গে ৫কে রেজ্যুলেশনের ডিসপ্লে সহ বিস্তৃত পরিসরে অনেক ডিভাইস দ্রুত যুক্ত করা যাবে। এই ইউএসবি-সি সংযোজকটি অনেক বেশি শক্তিশালীও বটে। এছাড়াও এই ট্যাবলেটটিকে ব্যাটারি খুলা অবস্থায়ও চার্জ করা যাবে।

এ১২এক্স বায়োনিক প্রসেসর

চলতি বছর অ্যাপল নতুন প্রজন্মের আইওএস অপারেটিং সিস্টেম চালিত যতগুলো ডিভাইস বাজারে এনেছে, তার সবগুলোতেই নতুন প্রজন্মের প্রসেসরও যুক্ত করা হয়েছে। নতুন আইপ্যাড প্রো’র ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। নতুন এই ট্যাবলেটগুলোতে ব্যবহার করা হয়েছে বর্তমান সময়ের সবচেয়ে শক্তিশালী এ১২এক্স বায়োনিক প্রসেসর।

‘এ১২এক্স’ বায়োনিক প্রসেসরে থাকছে ৩৫% দ্রুত গতির সিঙ্গেল-কোর এবং ৯০% দ্রুত গতির মাল্টি-কোর সিপিইউ প্রসেসিং ক্ষমতা, যা কিনা পূর্ববর্তী আইপ্যাড প্রো’র তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ দ্রুত গ্রাফিক্স কর্মক্ষমতা দিতে সক্ষম। অ্যাপল দাবি করেছে, নতুন আইপ্যাড প্রো’র প্রসেসসরগুলো গ্রাফিক্স কর্মক্ষমতার দিক থেকে ‘এক্সবক্স ওয়ান এস’ এর সঙ্গে তুলনীয়।

বাড়তি স্টোরেজ ক্ষমতা
আইপ্যাড প্রো’র নতুন দুটি সংস্করণ থাকছে ৬৪ গিগাবাইট ফ্ল্যাশ স্টোরেজ। আগের সংস্করণগুলোতেও স্টোরেজ ক্ষমতা একই ছিল। তবে আরো বেশি স্টোরেজ ক্ষমতার আইপ্যাড প্রো পাওয়া যাবে। সেক্ষেত্রে ব্যয় বৃদ্ধি পাবে। ১১ ইঞ্চি এবং ১২.৯ ইঞ্চি স্ক্রিনের ৬৪ গিগাবাইট আইপ্যাড প্রো এর প্রারম্ভিক মূল্য যথাক্রমে ৭৯৯ এবং ৯৯৯ ডলারে হলেও ১ টেরাবাইট স্টোরেজ ক্ষমতার সংস্করণগুলোর প্রারম্ভিক মূল্য প্রায় দ্বিগুণ, যথাক্রমে ১,৫৪৯ ডলার এবং ১,৭৪৯ ডলার করে।

আরো পড়ুন :  মির্জা ফখরুলের বিরুদ্ধে মামলার হুঁশিয়ারি কাদেরের

নতুন অ্যাপল পেনসিল
নতুন আইপ্যাড প্রো’র দুটি সংস্করণের সঙ্গেই থাকছে একটি নতুন অ্যাপল পেনসিল। তবে পূর্ববর্তী অ্যাপল পেনসিলটি বিদ্যুতের মাধ্যমে চার্জ করতে হলেও নতুন ট্যাবলেটগুলোর অ্যাপল পেনসিল ওয়্যারলেসভাবে চার্জ করা সম্ভব হবে। চার্জিং এর জন্য এটিকে ইউএসবি-সি এর সঙ্গে যুক্ত করতে হবে না। তবে প্রথম প্রজন্মের অ্যাপল পেনসিলের মূল্য ৯৯ ডলার হলেও দ্বিতীয় প্রজন্মের এই অ্যাপল পেনসিলটির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১২৯ ডলার।

তথ্যসূত্র : পিসিম্যাগ

14Shares