ইসি ও সরকারকে আস্থা অর্জন করতে হবে -বদিউল আলম মজমুদার

প্রকাশিত

স্টাফ রিপোর্টার : সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক ও বিশিষ্ট রাজনৈতিক বিশ্লেষক বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, দুই দফা সংলাপের পর কোনো সমঝোতা না হলেও সেই সুযোগ শেষ হয়ে যায়নি। তফসিল ঘোষণার পর এখন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে সবার জন্য লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করা। একই সাথে নির্বাচনের একটি সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি করে নির্বাচনের অংশীজনদের আস্থা অর্জন করা ইসির সাংবিধানিক দায়িত্ব। আবার সরকারের উচিত হবে ইসিকে সকল ধরনের সহযোগিতা দেওয়া। তফসিল ঘোষণার পর সরকারের বিভিন্ন বিভাগ ইসির অধীনে থাকার কথা। এখন ইসিকে স্বাধীনভাবে ক্ষমতা প্রয়োগ করতে হবে। আবার ইসিকে স্বাধীনতা ক্ষমতা প্রয়োগের সুযোগও দিতে হবে সরকারকে। বদিউল আলম মজুমদার বলেন, সংলাপে এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান ফলাফল শূন্য হলেও সমঝোতার ক্ষেত্রে একটি অগ্রগতি হয়েছে। তফসিল ঘোষণার পরও আলোচনার দরজা খোলা রাখার ব্যাপারে দুই পক্ষ যে একমত হয়েছে, এখন তাদের উচিত আবারও আলোচনায় বসা। আলোচনায় না বসলে সংকট কাটবে না। আলোচনা অব্যাহত রাখতে হবে। সুজন সম্পাদক বলেন, বিরোধী দল আন্দোলন করে দাবি আদায় করতে পারবে না, এমনটা ভেবে সরকার যদি কম্প্রমাইজে না যায়, তবে তা দেশের জন্য দু:খজনক। আবার জিদ ধরে যদি এবারও বিএনপির নেতৃত্বাধীন দলগুলো নির্বাচন বয়কট করে, তবে তাও হবে দু:খজনক। মানুষ একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চায়। উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিতে চায়। আন্তর্জাতিক মহলও বাংলাদেশে এমনটি একটি অর্থবহ নির্বাচন দেখার অপেক্ষায়। বিষয়টি সরকারকেবই বেশি উপলব্ধি করতে হবে। তিনি বলেন, আমার বিবেচনায় এখন পর্যন্ত সংলাপে ঐক্যফ্রন্টকে ডিফেনসিভ মনে হয়েছে। বরং শাসক দলের কোনো কোনো নেতা সংলাপে উত্তেজনা ছড়ানোর চেষ্টা করেছেন। এটা কাম্য নয়। কোন দলের কেমন শক্তি আছে, তা বিবেচনা না করে দেশের বৃহত্তর স্বার্থে মানুষের ভোটাধিকারের কথা বিবেচনায় রেখে সরকারকেই বেশি সদিচ্ছা দেখাতে হবে। বিরোধীজেকাটকেও নির্বাচন বয়কটের পথ থেকে ফিরে এসে সরকারের সাথে সমঝোতা করেই নির্বাচনে অংশ নিতে হবে। এতে একটি অর্থবহ এবং প্রতিযোহিগতাপূর্ণ নির্বাচন হবে বলে প্রত্যাশা করছি।

Shares
আরো পড়ুন :  সিরাজগঞ্জে অবৈধ বালু উত্তেলন চলছে, থানায় জিডি, প্রশাসন নীরব!