বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থী নিহত : ৩ জনের সাক্ষ্য

প্রকাশিত

নিজস্ব প্রতিবেদক :বাসচাপায় শহীদ রমিজউদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থী নিহতের মামলায় আরো তিনজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন আদালত।

সাক্ষীরা হলেন- পুলিশ সদস্য আব্দুস সালাম খান, আসাদুজ্জামান ও মাছুম বিল্লাহ।

রোববার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েস তাদের সাক্ষ্য গ্রহণের পর সোমবার অপর সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ঠিক করেছেন।

এনিয়ে মামলাটিতে মাত্র ১১ কার্যদিবসে ৪১ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হলো।

সাক্ষ্য গ্রহণকালে কারাগারে থাকা আসামি জাবালে নূরের ঘাতক বাসের চালক মাসুম বিল্লাহ, চালকের সহকারী মো. এনায়েত হোসেন ও অপর চালক মো. জোবায়ের সুমনকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার অপর দুই আসামি বাস মালিক মো. জাহাঙ্গীর আলম (৪৫) ও চালকের সহকারী মো. আসাদ কাজী (৪৫) পলাতক রয়েছেন।

আরো পড়ুন :  আগামী ৫ জানুয়া‌রি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপির সমাবেশ

আরেক আসামি ঘাতক বাসের মালিক মো. শাহদাত হোসেন আকন্দের মামলার অংশের কার্যক্রম হাইকোর্টের নির্দেশে স্থগিত রয়েছে।

গত ৬ সেপ্টেম্বর ডিবি পুলিশের উত্তর ক্যান্টনমেন্ট জোনাল টিমের ইন্সপেক্টর কাজী শরীফুল ইসলাম ঢাকা সিএমএম আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। চার্জশিটটি বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ২৭৯, ৩২৩, ৩২৫, ৩০৪ ও ৩৪ ধারায় দাখিল করা হয়েছে। ৩০৪ ধারা অনুযায়ী, খুন বলে গণ্য নয় এরূপ নরহত্যার সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

গত ২২ অক্টোবর অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন আদালত। এরপর ২৫ অক্টোবর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন আদালত।

আরো পড়ুন :  সৌম্যের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ‘এ’ দলের জয়

প্রসঙ্গত, গত ২৯ জুলাই দুপুরে কালশী ফ্লাইওভার থেকে নামার মুখে এমইএস বাসস্ট্যান্ডে ১৫/২০ জন শিক্ষার্থী দাঁড়িয়ে ছিলেন। জাবালে নূর পরিবহনের একটি বাস ফ্লাইওভার থেকে নামার সময় মুখেই দাঁড়িয়ে যায়। এ সময় পেছন থেকে আরেকটি দ্রুত গতিসম্পন্ন জাবালে নূরের বাস ওভারটেক করে সামনে আসতেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা শিক্ষার্থীদের ওপর উঠে যায়। চাকার নীচে পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান দুজন। আহত হন ১৫-২০ জন শিক্ষার্থী।

ওই ঘটনায় ২৯ জুলাই দিবাগত রাতে ক্যান্টনমেন্ট থানায় নিহতে মিমের বাবা জাহাঙ্গীর আলম এ মামলা দায়ের করেন।

Shares