বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

প্রকাশিত

ভারতের পেট্রাপোল ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরোয়ার্ডিং (সিঅ্যান্ডএফ) এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের অসন্তোষের কারণে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি-রপ্তানি অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য বন্ধ রয়েছে। আজ সোমবার সকাল থেকে পেট্রাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনসহ বিভিন্ন সংগঠন দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বন্ধ করে দিয়েছে।

বেনাপোল কাস্টমস হাউজ সূত্রে জানা গেছে, শুল্কায়ন শেষে আমদানি পণ্য নিয়ে অন্তত ৫০০ ট্রাক বেনাপোল বন্দরে ঢোকার অপেক্ষায় পেট্রাপোল সীমান্তে আটকে রয়েছে। এর মধ্যে শতাধিক ট্রাকে পেঁয়াজ, ফুল ও মরিচসহ পচনশীল পণ্য রয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন যন্ত্রাংশ (মেশিনারিজ) ও শিশুখাদ্যের মতো জরুরি পণ্যও রয়েছে। অন্যদিকে পেট্রাপোল বন্দরে ঢোকার জন্য বেনাপোল সীমান্তে রপ্তানি পণ্য নিয়ে দেড় শ ট্রাক আটকে আছে। এসব ট্রাকে সুপারি, তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য রয়েছে।

আরো পড়ুন :  দিনে হাসপাতালে চাকরি রাতে ইয়াবা বিক্রি

বেনাপোল কাস্টমস হাউসের উপকমিশনার মাহফুজুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ভারতের পেট্রাপোলে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের মধ্যে অসন্তোষ থাকায় তারা আজ (সোমবার) সকাল থেকে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ করে দিয়েছে।

পেট্রাপোল কাস্টমস বিভাগের প্রধান (ডেপুটি কমিশনার) রাহুল মাহাতোর বরাত দিয়ে মাহফুজুর রহমান আরও বলেন, ‘রাহুল মাহাতো বেনাপোল কাস্টমস হাউসে এসে বেনাপোল কাস্টমস কমিশনারের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি আমাদের জানান, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট নেতাদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। শিগগিরই এ সমস্যার সমাধান হবে।’

আরো পড়ুন :  মদ খাওয়ার পর ঢলে পড়লেন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা

অন্যদিকে বেনাপোল ও পেট্রাপোল বন্দর ব্যবহারকারী ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভারতীয় কাস্টমস বিভাগের অতিরিক্ত অর্থ আদায়সহ নানা ধরনের হয়রানির প্রতিবাদে পেট্রাপোল চেকপোস্ট সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ও বন্দর ব্যবহারকারী বিভিন্ন সংগঠন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ করেছে।

বেনাপোল কাস্টমসের কার্গো শাখার একজন রাজস্ব কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, সোমবার সকাল থেকে বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে কোনো পণ্য আমদানি-রপ্তানি হয়নি। তবে বেনাপোল বন্দর ও কাস্টমসে পণ্য ওঠানো-নামানোসহ স্বাভাবিক কাজ চলছে।

4Shares