টঙ্গীর সফিউদ্দিন সরকার একাডেমি এন্ড কলেজের শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ

প্রকাশিত

শেখ রাজীব হাসান আকাশ,গাজীপুর: গাজীপুরের টঙ্গীর সফিউদ্দিন সরকার একাডেমি এন্ড কলেজের ৫ম শ্রেণির এক ছাত্রের মাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তার স্কুলের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
স্থানীয় কাউন্সিলর মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে সালিশে টাকার বিনিময়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টারও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
হাবিবুর রহমান হাবিব(৩৮) নামের ওই শিক্ষক গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের গাছা থানার কুনিয়া বড়বাড়ি এলাকার মৃত.ইউনুস আলীর ছেলে।
জানা যায়, শিশুটি সফিউদ্দিন সরকার একাডেমি স্কুল এন্ড কলেজের ৫ম শ্রেণির ছাত্র৫মস্কুল ছুটির পর গণিত প্রাইভেট পড়তে কলেজ গেইট এলাকার বাসায় আসতেন স্কুলটির সহকারী গণিত শিক্ষক হাবিবুর রহমান। বাসা নির্জন পেয়ে গত ৫মার্চ পড়া শেষে ছাত্রকে অন্য কক্ষে বদ্ধ করে শিক্ষক হাবিবুর ওই ছাত্রের মাকে ধর্ষণ করে এবং মোবাইলে ভিডিও ধারণ করেন। গত পাঁচ মাসে কয়েক দিন তাকে ধর্ষণ করে।
সর্বশেষ ২৭ নভেম্বর একইভাবে তাকে মুঠোফোনে ধর্ষণের প্রস্তাব দিলে তাতে রাজি হন নি ছাত্রের মা। এতে শিক্ষক হাবিবুর তার প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় গোপনে ধারণকৃত ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগে ছড়িয়ে দেবার হুমকি দিয়ে নগদ দশ লক্ষ টাকা দাবি করেন।
ঘটনাটি ছাত্রের মা একদিন পর প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামানকে বিষয়টি জানান। কিন্তু প্রধান শিক্ষক কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে শিক্ষক হাবিবুরকে ছুটি দেন। গত বুধবার রাতে ছাত্রের মা টঙ্গী পশ্চিম থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। পরে থানা পুলিশ অভিযুক্ত শিক্ষককে ঐ রাতেই আটক করে থানায় এনে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে নগদ টাকা জরিমানা আদায় করে ছেড়ে দেয়।
প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান জানান,এ বিষয়ে চার সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী দশ কার্য দিবসের মধ্য প্রতিবেদ দাখিল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর বলেন, এ বিষয়ে আমার তেমন জানা নেই,তবে গত রাতে থানায় গিয়ে শুনেছি।
টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশের (ওসি) এমদাদুল হক এ বিষয়ে কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

Shares
আরো পড়ুন :  পাঁচ মহিলাকে গণধর্ষণ