শাশুড়ীকে হত্যার দায়ে প্রেমিকসহ পুত্রবধুর যাবজ্জীবন

প্রকাশিত

ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় অবৈধ সম্পর্কের জের ধরে শাশুড়ীকে হত্যার দায়ে পুত্রবধু ও তার প্রেমিককে যাবজ্জীবন কারদন্ড দিয়েছে আদালত। একই সাথে আসামীদের ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৬ মাসের জেল প্রদান করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে ঝালকাঠির অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহা. বজলুর রহমান এ রায় প্রদান করেন।

দন্ডপ্রাপ্ত আসামীরা হলেন কাঠালিয়ার জয়খালি গ্রামের কেফায়েত উল্লাহ (২৫) ও একই গ্রামের কুলসুম বেগম (২৮)। রায় প্রদান কালে আসামীরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আরো পড়ুন :  মৌসুমী-সানি আবারো জুটি বাঁধছেন

মামলার নথি ও আদালত সূত্রে জানা যায়, কাঠালিয়া উপজেলার জয়খালি গ্রামের কালাম হাওলাদার চাকুরির সুবাদে ঢাকায় থাকার কারনে বাড়িতে তার স্ত্রী কুলসুম বেগম ও তার বৃদ্ধা মা রিজিয়া বেগম বসবাস করত। স্বামীর অনুপস্থিতে কুলসুম বেগম প্রতিবেশী কেফায়েত উল্লাহর সাথে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক গড়ে তোলে। বিষয়টি শাশুড়ী রিজিয়া বেগমের কাছে ধরা পরায় কুলসুম বেগম তাকে প্রেমিকার সহায়তায় হত্যার পরিকল্পনা করে।

আরো পড়ুন :  ব্যবস্থা নেয়া হবে ৭ মার্চের সমাবেশে শ্লীলতাহানির বিষয়ে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

২০১৫ সালের ১২ এপ্রিল কুলছুম বেগমের সহায়তায় প্রেমিকা কেফায়েত উল্লাহ ঘরে প্রবেশ করে রাজিয়া বেগমকে গলাটিপে হত্যা করে পার্শবর্তী ডোবায় ফেলে রাখে। পরের দিন কুলছম বেগম পরিাবরের চাপে দোষ স্বীকার করায় রিজিয়া বেগমের মেয়ে বাদি হয়ে কাঠালিয়া থানায় দুজনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

এরপর ১৬৪ ধারায় কুলসুম আদালতে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দেয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্ত কাঠালিয়া থানার উপপরিদর্শক আ. সালাম ২০১৫ সালের ৩১ মে অভিযোগ পত্র দেন। আদালত ৫ অক্টোবর ২০১৫ তারিখ অভিযোগ গঠন করেন।

আরো পড়ুন :  ঠাকুরগাঁওয়ের নিশ্চিন্তপুর এলাকায় মাদ্রাসার ছাত্রকে পুড়িয়ে হত্যা! ৮জনকে আটক

এ বিষয়ে অতিরিক্ত সরকারি কৌশলী এম আলম কামাল বলেন, আদালত মামলায় ১৪ সাক্ষির স্বাক্ষ্য গ্রহণের মাধ্যমে এ রায় প্রদান করেন।