২০ বছর কুমিরের সঙ্গে বসবাস

প্রকাশিত

নিউজ ডেস্ক : কুমির কতটা বিপজ্জনক প্রাণী এ বিষয়ে আমরা সকলেই অবগত। কিন্তু সেই কুমিরের সঙ্গেই কেউ যখন রাত-দিন চব্বিশ ঘণ্টা কাটায় তখন তা বিস্ময় না জাগিয়ে পারে না। বলছি কানথিপ নাথিপের কথা। উত্তর থাইল্যান্ডের পিটসানুলক শহরের ৫৩ বছর বয়সি এই ব্যক্তির সার্বক্ষণিক সঙ্গী ভয়ংকর এক কুমির।

বিশ বছর আগের কথা। নাথিপ দুই সন্তানকে নিয়ে একটি কুমিরের খামারে বেড়াতে গিয়েছিলেন। খামারে গিয়ে তার সন্তানরা কুমির পোষার বায়না ধরে। নাথিপ যতই তার সন্তানদের বোঝাতে চেষ্টা করেন- কুমির পোষার মতো প্রাণী নয়, ততই তারা বেঁকে বসতে থাকে। অবশেষে সন্তানদের ধনুকভাঙ্গা পণের কাছে হার মানেন নাথিপ। খামার থেকে দুটি কুমির নিয়ে বাড়ি ফেরেন। তবে কিছুদিন পর একটিকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হন। কারণ নির্গেন নামের ওই কুমিরটি কিছুতেই বশ মানছিল না। এরপর থেকে এক বা দুইদিন নয় দীর্ঘ দুই দশক ধরে তিনি থং নামের আরেকটি কুমিরের সাথে একই বাড়িতে বসবাস করছেন।

আরো পড়ুন :  নেত্রকোনায় ১২ জনের মনোনয়ন বাতিল

নাথিপের দুই সন্তান এখন লেখাপড়ার জন্য শহরের বাইরে থাকে। কিন্তু থংকে নিয়ে সুখেই আছেন নাথিপ। প্রতিবেশী বা আগন্তুকদের কাছে থং ভয়ংকর প্রাণী হলেও নাথিপের কাছে থং তার তৃতীয় সন্তানের মতো। অনলাইন পোর্টাল সানুককে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘থং খুবই পোষ্য। কারো জন্যই এটি ক্ষতিকর নয়। অধিকাংশ সময় সে একটি কাঠের টেবিলের নিচে থাকে। অল্প আহার ও যত্নে সে মহাসুখেই আছে।’

4Shares