তিস্তা ব্যারেজ হুমকির মুখে, অরক্ষিত ‘সংরক্ষিত এলাকা’

প্রকাশিত

উত্তর অঞ্চল ব্যুরো : ২৮ ডিসেম্বর ২০১৮ থেকে শক্তিশালী পাম্প ও বোমা মেশিন দ্বারা উত্তোলন করেন দিন রাত ২৪ ঘন্টা একটি মহল  শক্তিশালী পাম্প ও বোমা মেশিন দ্বারা ১৫০থেকে ২০০ফিট পর্যন্ত গভির করে নুড়ি ও বড় পাথর উত্তোলন করেন ।
এই মর্মে জানা যায় তিস্তা ব্যারেজ সহ ডান তীর হুমকির সম্মুখিন হয়ে পরেছে। ডিমলা থানার নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাশক দেখেও না দেখার ভান করেন।
জানাযায় ৪৮টি শক্তি শালী বোমা মেশিন  পাথর উত্তলন করে আসছে। এ স্থান গুলো হচ্ছে টেপা খরিবাড়ী, দহল পাড়া, কিসামত পুর্ব ছাতনাই, কালিগঞ্জ, জিরো পয়েন্ট, ঝাড় সিজ্ঞাস্বর। এ অবৈধ মেশিন চালকদের কাছথেকে প্রতি দিন সন্ধার পর ১৫ হাজাড় টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন সংরক্ষিত এলাকা শুধু কাগজে কলমে স্বীকৃত প্রকৃত পক্ষে অরক্ষিত হয়ে পরেছে । তিস্তা ব্যারেজ নীলফামারী জেলার দোয়ানিতে দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারেজের অবস্থান ।
১৯৩৫ সালে নির্মানের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। এর পর ১৯৭৯ সালে ১২ ডিসেম্বর এর নির্মান কাজ শুরু হয়। এবং ১৯৯০ সালে ৫ আগস্ট তা শেষ হয়। সেচ প্রদানে অবকাঠামো সহ আনুষ্ঠানিক অবকাঠামো নির্মানের পর কর্তৃপক্ষ ৯৮ সালে ৩০ জুন তিস্তা সেচ প্রকল্প প্রস্তুতের কথা ঘোষনা দেয়। এর নির্মান ব্যায় হয়েছে ১৪শত ৩৫ কোটি টাকা। তিস্তা ব্যারেজের উদ্ধেশ্যে শুস্ক মৌসুমে নীলফামরী ডিমলা ও রংপুর দিনাজপুরের ১২ উপজেলায় ৩ লক্ষ ১৮ হাজার একর আবাদি জমি সেচ সুবিদা নিশ্চিত করে । এর ফলে কৃষকেরা ৪শত ৫৪টাকার অতিরিক্ত ধান ও গম উৎপাদন করতে পারে। তিস্তা নদির উপর নির্মিত সেচ প্রকল্পের সুফল ইতো মধ্যে  এলাকার কৃষকেরা পাচ্ছেন  কোটি কোটি টাকার ব্যায়ে নির্মিত তিস্তা ব্যারেজের ডান তীরে বেরি বাধ সহ এলাকার নিরাপত্তার স্বার্থে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ সংরক্ষিত এলাকা হিসাবে ঘোষনা করেন। শক্তি শালি মেশিন দ্বারা পাথর উত্তলন তিস্তা ব্যারেজ ও  তিস্তার ডান তিরে বাধ হুমকির সমুক্ষিন হয়ে পরেছে। কিন্তু তাদের এই নিষেধ্যাক্কা  কাগজে কলমে সীমা বদ্ধ রয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রে ব্যারেজের অতিরিক্ত মাল বোঝাই ট্রাক অবাধে চলাচল করছে।
তিস্তা ব্যারেজের পশ্চিম উত্তর ডান তীরে বাধ ঘেসে পাথর উত্তলন করেছে একটি শক্তি শালি মহল এতে তিস্তার ডান তিরের বাধ সহ ব্যারেজের দিন দিন ভারসাম্য হারিয়ে পেরছে। জানাযায় পাটগ্রাম লালমনিরহাট জেলা ধরলা নদীতেও এই বোমা মেশিন ও শক্তি শালী পাম্প মেশিন দ্বারা একই ভাবে পাথর উত্তোলন করেন যাহার গভিরতা ১৫০ থেকে ২০০ ফিট পর্যন্ত। ৯ তারিখে নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল করিম সাহেব কে  জিজ্ঞেসা করলে তিনি বলেন এ গভির থেকে পাথর উত্তলন করলে এসব কোন এক সমস্যার সম্মুখিন হয়ে যাবে।
তিনি বলেন অবৈধ পাথর উত্তলন কারীর অভিজান রয়েছে। যানা যায় এক শ্রেনীর অবিজ্ঞ লোক জন চিন্থা ভাবনা করছেন দিনদিন নিচের স্থর ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে এই সব এলাকা গুলি কোন এক দিন ভুমি কম্পন হলে পাটগ্রাম, ডিমলা সহ তিস্তা ব্যারেজ তলিয়ে জাবে আশক্খা পাওয়া যাচ্ছে। সরজমিন যাচাই করে যানা যায় পাটগ্রামে মোট মেশিনের সংখ্যা ২২ টি।
Shares
আরো পড়ুন :  জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা শুরু