লক্ষীপুরে ৭ বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণ

প্রকাশিত

চন্দ্রগঞ্জ (লক্ষীপুর) সংবাদদাতা : লক্ষীপুরে পাখির বাচ্চা দেখানোর কথা বলে সাত বছর বয়সী  শিশুকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার দুপুরে ঘটনার ১২ দিন পর ভিকটিমের মা বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
এ মামলার একমাত্র আসামি ফজলে রাব্বি (১৮) সদর উপজেলার কুশাখালি ইউনিয়নের ছিলাদী গ্রামের সাইফুল ইসলাম হারুনের ছেলে।
জানা গেছে, ভিকটিম শিশুটি স্থানীয় একটি মাদরাসার শিশু শ্রেণির ছাত্রী। ঘটনার পর তাকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হলে নোয়াখালির একটি প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার কুশাখালি ইউনিয়নের ছিলাদী গ্রামের রফিক মেম্বারের বাড়ির পার্শ্ববর্তী কালভাটের নিচে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। আসামি রাব্বি শিশুটিকে পাখির বাসা থেকে বাচ্চা নিয়ে দেওয়া কথা বলে কৌশলে ঘটনাস্থলে নিয়ে যায়।
এরপর তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এর আগে ঘটনাস্থলে ভিকটিমের সঙ্গে থাকা অন্য একটি শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা করে রাব্বি।
অভিযোগ রয়েছে, অভিযুক্ত রাব্বির পরিবারের সঙ্গে আঁতাত করে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মহিন উদ্দিনের নেতৃত্বে জুয়েল, সোহেল, মুরাদ ও মো. সোহেলসহ কয়েকজন বিষয়টি মিমাংসা করার আশ্বাস দিয়ে ধর্ষণের ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে।
স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মহিন উদ্দিন দৈনিক ভোরের ডাককে বলেন, ঘটনাটি শুনে আমি শিশুটিকে হাসপাতালে পাঠিয়েছি এবং অভিযুক্ত রাব্বিকে ধরার চেষ্টা করেছি। তাকে ধরার জন্য লোকও লাগিয়েছি।
কুশাখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নুরুল আমিন দৈনিক ভোরের ডাককে বলেন, আমি ১১ দিন পর শিশু ধর্ষণের ঘটনাটি শুনেছি। এরপর বিষয়টি দাসেরহাট পুলিশ ফাঁড়ির কর্মকর্তাকে জানিয়েছি। ভিকটিমের বাবাকে ডেকে বলেছি এ বিষয়ে মামলা করার জন্য।
দাসেরহাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. মফিজ উদ্দিন  বলেন, শিশু ধর্ষণের ঘটনায় চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা করা হয়েছে। এ মামলার একমাত্র আসামি রাব্বি পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।