এনটিআরসিএ কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষককে যোগদানে বাধা

প্রকাশিত

মণিরামপুর (যশোর)সংবাদদাতা : মণিরামপুরে এনটিআরসিএ কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকের যোগদানপত্র সংশ্লিষ্ট স্কুল কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করছেন না বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক যশোরের মণিরামপুর উপজেলার নেহালপুর গ্রামের শের আলী গাজীর কন্যা রুমা খাতুন  বুধবার  উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ করেছেন।
যার অনুলিপি মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী, মাননীয় এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী, চেয়ারম্যান এনটিআরসিএ, উপ-পরিচালক খুলনা অঞ্চল, জেলা
 প্রশাসক, জেলা শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর প্রেরণ করেছেন বলে অভিযোগকারী তার অভিযোগে উল্লেখ করেছেন।
এনটিআরসিএ কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্ত রুমা খাতুন  তার অভিযোগে উল্লেখ করেছেন, গত ১৯/১২/২০১৮ইং তারিখে এনটিআরসিএ এর গণবিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী মণিরামপুর উপজেলার ছিলুমপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়,যার ইন নং ১১৬১৬০ এ সহকারী শিক্ষক ( শরীর চর্চা) পদে গত ২৭/১২/২০১৮ ইং তারিখে আবেদন করেন। এরই প্রেক্ষিতে গত ২৪/০১/২০১৯ইং তারিখে এনটিআরসিএ যার স্মারক নং বেশিনিক/শি.শি/বেশিপ্রশি.নি/৮৫৪/২০১৮/২৩৫, শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের ৩০/১২/২০১৫ ইং তারিখে কর্তৃপক্ষের মেধাক্রম অনুযায়ী যাচাই বাছাই পূর্বক উক্ত পদে তাকে ছিলুমপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে নিয়োগের সুপারিশ করেন। সেই সুত্রে নিয়োগ প্রাপ্ত হয়ে রুমা খাতুন গত ০৩/০২/২০১৯ ইং তারিখ  রোববার সকাল ৯ ঘটিকায় ছিলুমপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে প্রধান শিক্ষক বরাবর নিয়োগ সংক্রান্ত কাগজপত্র ও যোগদানপত্র প্রদান করেন।
 গত ০৪/০২/২০১৯ ইং তারিখে প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান মোবাইল ফোনে রুমা খাতুনকে জানিয়ে দেন যে, তার প্রতিষ্ঠানে শরীরচর্চা শিক্ষকের পদ খালি নাই । তাই তার যোগদানপত্র গ্রহন করতে পারবো না।
অভিযোগকারী রুমা খাতুন তার অভিযোগে আরও উল্লেখ করেন তিনি বিশ^স্থ্য সুত্রে জানতে পেরেছেন উক্ত বিদ্যালয়ে প্যাটার্ণভুক্ত সহকারী শিক্ষক (শরীর চর্চা ) পদে কোন শিক্ষক নাই। প্রধান শিক্ষক উক্ত শুণ্য পদে শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএ বরাবর যথারিতি আবেদন করেছেন। উক্ত পদে আবেদনকারী রুমা খাতুন যাতে যোগদান করতে পারে সে জন্য তিনি কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের সিএ সন্তোষ কুমার  এ ধরনের একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে বলে  নিশ্চিত করেন। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে ফোন রিসিভ না করার কারণে কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। জানতে চাইলে ছিলুমপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের  প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান জানান, যোগদানপত্র গ্রহণ করা হয়নি এটা সঠিক নহে। এখনও একমাস সময় আছে। ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
Shares
আরো পড়ুন :  নীরব ঘাতক মেটাবলিক সিনড্রোম সম্পর্কে ৬ তথ্য