মানুষকে হয়রানি করবেন না-পুলিশ সপ্তাহ-২০১৯ এ রাষ্ট্রপতি

প্রকাশিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মানুষকে কোনও ধরণের হয়রানি না করার জন্য পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। এছাড়াও তাদের আইনি সহায়তার ব্যাপারে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়ার নির্দেশ দেন তিনি। পুলিশ সপ্তাহ-২০১৯ উপলক্ষে বঙ্গভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি এ কথা বলেন।রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশ ও জনগণের সেবায় পুলিশ বাহিনী আশা করি তাদের দায়িত্ব সততার সাথে পালন করবে।’ পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্য করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি একটি দেশের স্থিতিশীলতা ও অগ্রগতির পূর্বশর্ত। অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও একটি নিরাপদ সমাজ প্রতিষ্ঠায় আপনাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। কারণ জনগণ আশা করে পুলিশ আরও সেবাধর্মী ও জনবান্ধব বাহিনী হবে।

আরো পড়ুন :  বিয়ের প্রস্তাব হাঁটু গেড়ে কেন?

অপরাধ ও অপরাধীরা নির্দিষ্ট কোনও সীমায় আবদ্ধ নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে সংঘবদ্ধ অপরাধীরা দেশীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অপরাধ নেটওয়ার্কের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে যাচ্ছে। এ ধরণের অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও মোকাবিলা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং হওয়া সত্ত্বেও সংঘবদ্ধ অপরাধসহ সন্ত্রাস, জঙ্গিদমন এবং মাদকের বিস্তার রোধে পুলিশ সদস্যরা যে পেশাদারিত্ব, দক্ষতা ও সাহসিকতা প্রদর্শন করেছেন তা বেশ প্রশংসনীয়।

রাষ্ট্রপতি বলেন, মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমুন্নত রেখে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বজায় রাখা, জনগণের জান-মাল রক্ষা, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং সন্ত্রাসবাদ তথা অপরাধ দমন করা পুলিশের প্রধান দায়িত্ব। আশা করি অতীতের মতো এ দায়িত্ব পালনে সাফল্য দেখিয়ে যাবেন তারা। পুলিশ সদস্যদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি ও আধুনিকীকরণে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন সময়োপযোগী পদক্ষেপ সম্পর্কে আবদুল হামিদ বলেন, জনসাধারণের জন্য পুলিশের সেবাগুলো সহজসাধ্য করার লক্ষ্যেই এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

আরো পড়ুন :  বনপাড়া পৌরসভার নব-নির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলরদের শপথ গ্রহণ

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের একটি নিরাপদ, সুখী ও উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে ‘রূপকল্প-২০২১’ ও ‘রূপকল্প-২০৪১’ এবং ‘ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০’ বাস্তবায়নে পুলিশকেও সক্রিয় ও সম্মিলিত অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানান তিনি।

Shares