কলাপাড়ায় ট্রলারডুবি: ৩৫ ঘণ্টা পর দুই লাশ উদ্ধার

প্রকাশিত

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার রাবনাবাদ নদে বাল্কহেডের ধাক্কায় ইটবোঝাই ট্রলারসহ শ্রমিক মো. নুরুল ইসলাম (৩০) এবং মো. সাইফুল ইসলামের (২৮) লাশ ৩৫ ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয়েছে। আজ রবিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে স্থানীয় ডুবুরিরা লাশ দুটো উদ্ধার করেন। তবে নিমজ্জিত সাত হাজার ইটবোঝাই ট্রলারটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

কলাপাড়া থানায় নিমজ্জিত ট্রলারের মালিক নিজাম শরীফ বাদী হয়ে বাল্কহেডের সাত কর্মচারীর বিরুদ্ধে আজ রবিবার সকালে একটি মামলা দায়ের করেন। পুলিশ প্রধান আসামি বাল্কহেড কর্মচারী নুরুজ্জামান এবং আফজাল হোসেন ও এনামুল হককে গ্রেপ্তার করেছে। একই সময় ঘাতক বাল্কহেডটি জব্দ করা হয়।

আরো পড়ুন :  বলিউড তারকাদের বিয়ের পোশাকের দাম জানেন?

কলাপাড়া থানার এসআই বিপ্লব মিস্ত্রি জানান, বাল্কহেডসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যহত রয়েছে। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, শুক্রবার শেষ বিকালে কলাপাড়ার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের নবীপুর গ্রামের মো. রুহুল আমীনের ‘সততা’ ইটভাটা থেকে একটি ট্রলার ইট বোঝাই করে গলাচিপা যাচ্ছিল। ওই দিন রাতে চাম্পাপুর ইউনিয়নের পাটুয়া লঞ্চঘাট এলাকায় ট্রলারটি নোঙর করে রেখে ঘুমিয়ে পরেন।

আরো পড়ুন :  একটি মাছের বিষে মারা যেতে পারে ৩০ জন

রাত সাড়ে ১১টার দিকে একটি বাল্কহেড এসে নোঙর করা ইট বোঝাই ট্রলারটিকে ধাক্কা দেয়। এতে ট্রলারটি সাত শ্রমিকসহ ডুবে যায়। নিমজ্জিত ট্রলারের উদ্ধার হওয়া শ্রমিকরা হচ্ছেন মো. নাসির উদ্দিন, মো. মাসুম, মো. রাসেল, মো. তোফাজ্জেল এবং মো. মানিক। এদের বাড়ি নীলগঞ্জ ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে। নিখোঁজ দুই শ্রমিকের বাড়ি একই ইউনিয়নের বাইনবুনিয়া গ্রামে।

Shares