নরসিংদীতে বাসযাত্রী মা-মেয়ে গণধর্ষণ, মূলহোতা র‌্যাবের অভিযানে গ্রেফতার

প্রকাশিত

নরসিংদী প্রতিনিধিঃ নরসিংদীর ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে চাঞ্চল্যকর ও বহুল আলোচিত বাসযাত্রী মা-মেয়েকে গণধর্ষণ মামলার মূল আসামি লম্পট মোঃ মোখলেছ (৩৬)-কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যকশন ব্যাটালিয়ন ১১ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল।গ্রেপ্তারকৃত মোখলেছ গত( ১৬ মার্চ) নরসিংদীর শিবপুর থানায় রুজুকৃত চাঞ্চল্যকর গণধর্ষণ মামলার (মামলা নম্বর ১৭, তারিখ ১৬/০৩/২০১৯)পলাতক আসামি ও মূল হোতা।তার নামে ইতিপূর্বে শিবপুর থানায় ডাকাতি, অস্ত্র ও আইনশৃঙ্খলাবিঘ্নকারী দ্রুত বিচার আইনসহ নানা অপরাধে ৬টি মামলা রয়েছে।জেলার সদর উপজেলার মাধবদী পৌরসভা এলাকায় পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন ১১ এর অভিনায়ক লে. কর্নেল কাজী শারশের উদ্দিন।এ সময় তাঁর সঙ্গে আরো ছিলেন ক্রাইম প্রিভেনশন স্পেশাল কম্পানির কম্পানি কমান্ডার মেজর সাকিব ও স্কোয়াড কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন।গ্রেপ্তারকৃতকে জিজ্ঞাসাবাদে ও প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়,গত ১৫ মার্চ মামলার ভিকটিম বাসযাত্রী মা-মেয়ে একসাথে ঢাকা থেকে সিলেটের হবিগঞ্জগামী একটি যাত্রীবাহী বাসযোগে বাড়ি ফেরার সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বাসটি ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের শিবপুরের সৃষ্টিগড় বাসস্ট্যান্ডের অদূরে বিকল হয়ে যায়।এ সময় ঘটনার মূলহোতা লম্পট মোখলেছ (৩৬) ও তার সহযোগী লম্পট দেলোয়ার হোসেন (৩০), লম্পট শফিক (২৫),লম্পট বাদল (৪২),লম্পট বাবু (২৫), লম্পট মোঃ আলমগীর (৪০) বাসে উঠিয়ে দেওয়ার কথা বলে ফুঁসলিয়ে সৃষ্টিগড় সাকিনস্থ প্রাইম জুটমিলের মধ্যে পরিত্যক্ত কক্ষে নিয়ে মা ও মেয়েকে পালাক্রমে গণধর্ষণ করে।নির্যাতনের শিকার মা ও মেয়ের আত্মচিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে ঘটনাস্থল থেকে মোখলেছ ও তার সহযোগীরা টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে দেলোয়ার হোসেন ও শফিককে গ্রেপ্তার করে।ঘটনার প্রেক্ষিতে র্যাব ১১ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল নজরদারি করাসহ এ ঘটনার মূল হোতা মোখলেছ ও পলাতক অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা করে।এরই প্রেক্ষিতে( ১৮ মার্চ) ভোর ৫টায় নরসিংদী জেলার সদর উপজেলার মাধবদী পৌর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে লম্পট মোখলেছকে গ্রেফতার করেন।গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে নরসিংদীর শিবপুর থানায় পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য হস্তান্তর করা হয়েছে।