নুসরাত হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটনের পিবিআই-এর একটি সাফল্য-সালেহ ইমরান

প্রকাশিত

আসামী ধরতে গিয়ে কত ধরনের বেশ ধারন করতে হয়, কি পরিমান ঝুকি নিতে হয় একটি সাফল্য অর্জন করার পর অনেকেই হয়তো সেটাকে পানিভাত মনে করে। কারণ অভিযানের পেছনের গল্পগুলো বেশীরভাগ সময় অপ্রকাশিতই থাকে। তবে আপনি স্বীকার করেন আর না করেন আমাদের প্রত্যেকটা অভিযানের পেছনে ঠিক এরকম নানান স্মৃতি গেথে থাকে। কখনো কখনো তার ঝুকি এতো বেশী থাকে যে জীবন দিয়ে তার মুল্য দিতে হয়। তবুও পুলিশ তার দায়িত্ব পালনে পিছপা হয়না। ঝুকি আছে জেনেও এগিয়ে যায় তার কর্তব্য কাজে। চাঞ্চল্যকর মামলা, একটি টীম ওয়ার্ক, নিরলস পরিশ্রম এর ফলে স্বল্প তম সময়ে রহস্য উদঘাটনের জন্য মাইলফলক হয়ে থাকবে ফেনীর আলোচিত নুসরাত হত্যাকান্ড। আর সেই মামলার অন্যতম আসামী নুরুদ্দিনকে গ্রেফতার করতে এভাবেই ঝুকি আছে জেনেও একাই ছদ্মবেশ ধারন করে গ্রেফতার করতে এগিয়ে যায় আমার ব্যাচমেট এসআই মেহেদী হাসান।

আরো পড়ুন :  জাতির প্রত্যাশা পূরণে শিক্ষার্থীদের সচেষ্ট হওয়ার আহ্বান : ঢাবি উপাচার্যের

গত পরশু,তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে সিরাজ-উদ-দৌলার অন্যতম সহযোগী ও সংশ্লিষ্ট মামলার আসামি নূর উদ্দিনের অবস্থান ময়মনসিংহের ভালুকায় জানতে পারে পিবিআই এর চৌকস একটি দল। পরে সেখানে গিয়ে লুঙ্গি ও সেন্টু গেঞ্জি পরে কৌশলেই পাকড়াও করে নূর উদ্দিনকে। ধন্যবাদ পিবিআই কে, ধন্যবাদ অভিযানের পেছনে নিরলস শ্রম দেওয়া পিবিআই এর বিভিম্ন ইউনিটের সকল অফিসার এবং ফোর্সকে।

আরো পড়ুন :  সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশায় শয়তান খালির ৩টি ঝুঁকিপূর্ণ সেতু

লেখক- সালেহ ইমরান- পিবিআই,

7Shares