সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার সকল বিদ্যালয়ে পরীক্ষার প্রশ্ন দেখে শিক্ষার্থীরা অবাক

প্রকাশিত

Sharing is caring!

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি-

পরীক্ষার প্রশ্ন দেখে খাতায় উত্তর লিখতে গিয়ে অবাক হয়েছে শিক্ষাথীরা। অবাক হয়েছেন পরীক্ষায় দায়িত্বে থাকা শিক্ষাকগনও। সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার সকল বিদ্যালয়ে প্রথম সাময়িক পরীক্ষা গত শনিবার(২৭ এপ্রিল)অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরীক্ষায় চতুর্থ শ্রেণীর গণিত প্রশ্ন পত্রে দেখাগেছে প্রথম পৃষ্ঠায় ভুলের শেষ নেই। এক প্রশ্নের উত্তর চাওয়া হয়েছে ২বার। ফলে শিক্ষার্থীদের গণিত পরীক্ষায় পুহাতে হয়েছে নানা সমস্যা আর এক প্রশ্ন ২বার লিখতে হবে এটা শিক্ষাথীরা এই প্রথম তারা শিখেছে। গণিত পরীক্ষায় এমন প্রশ্ন দেখে ক্ষুদ্ধ অভিবাবকরা।

তবে প্রশ্নপত্রে ভুল হওয়ার বিষয়ে কোন বক্তব্য দিতে রাজি হননি সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার এনামুর রহিম বাবর।

অভিভাকরা ক্ষোবের সাথে জানান,এই রকম ভুল প্রশ্ন দিয়ে যদি গণিতের মত পরীক্ষা নেওয়া হবে আমরা আশা করিনি। এক প্রশ্ন ২বার কেন করা হবে জানতে চাইলে এর কোন জবাব দিতে পারেনি বিদ্যালয়ের কর্মরত শিক্ষকরা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ৪র্থ শ্রেণীর এক শিক্ষার্থী জানায়, গণিত পরীক্ষায় আমরা অনেক কিছু শিখে আসছি, কিন্তু ম্যাডাম যখন আমাদের পরীক্ষার প্রশ্ন হাতে দিয়েছেন তখন এক প্রশ্ন ২বার করে দেখে আমি আমার ক্লাসের সবাই অবাক হয়ে যাই, পরে আমরা ম্যাডামকে প্রশ্ন দেখালে ম্যাডাম অবাক হয়ে যান এবং আমাদেরকে বলেন কিছু হবেনা যে রকম আছে সেই রকম লিখে দাও। কিছু লিখছি আর খিছু না লিখে পরীক্ষা থেকে বেরিয়ে এসেছি।

কালীবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নমিতা রানী সরকার জানান, আমি মনে করি আমাদের কতৃপক্ষের অনেক গাফলাতি আছে। কারণ প্রশ্নটা আমাদের কাছে প্যাকেট করে আসছে আর আমরা প্রশ্নের গোপণীয়তার স্বার্থে প্রশ্ন পত্র আগে দেখিনা, যেদিন যে পরীক্ষা আমরা সেদিন ওই সেই প্রশ্ন খুলি।

জেলা প্রাথমিক সহকারি শিক্ষা অফিসার গকুল চন্দ্র দেবনাথ জানান, গণিত পরীক্ষার মত একটি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্রে ভুল এটা আসলে দু:খ জনক। প্রশ্নপত্রে যারা দায়িত্বে ছিলেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার. সহকারী শিক্ষা অফিসার তারা দায়িত্বে গাফলাতি করেছে তা পরিষ্কার। তিনি আরো বলেন এখন পর্যন্ত কেউ অভিযোগ দেইনি আমরা অভিযোগ পেলে তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থ গ্রহন করব।