যে দেশে স্কুলে যাওয়া বিপজ্জনক

প্রকাশিত

অনলাইন ডেস্ক-

বুরকিনা ফাসো’র উত্তর, সাহেল এবং পূর্ব-এই তিনটি অঞ্চলে ২৮৬৯টি স্কুলের মধ্যে ১ হাজার ১১১টি স্কুল বন্ধ হয়ে গেছে গত কয়েকমাসে। উত্তরের এই অঞ্চলগুলো মালি এবং নাইজার সীমান্তের কাছে। আর এই সীমান্তে জিহাদি জঙ্গিরা তৎপরতা চালাচ্ছে কয়েক বছর ধরে। জঙ্গিদের হামলার কারণে সেখানে একের পর এক স্কুল বন্ধ হয়ে দেড় লাখ শিশু ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বুরকিনা ফাসোতে শতকরা ৫৮ভাগ শিশু প্রাথমিক স্কুল শেষ করতে পেরেছিল ২০১৬ সালে।

যে দেশে ৪২ভাগ শিশুই প্রাথমিক স্কুল শেষ করতে পারে না, সেই দেশে স্কুল বন্ধ হয়ে থাকলে এর আরও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে বিশ্লেষকরা মনে করেন।যে সব এলাকায় স্কুল বন্ধ হয়েছে. এর অনেক স্কুলে হামলার জন্য টার্গেট করেছিল ইসলামী জঙ্গিরা। কারণ জঙ্গিরা পশ্চিমা শিক্ষার বিরুদ্ধে সেখানে তৎপরতা চালাচ্ছে। অনেক স্কুলের শিক্ষকরা নিরাপত্তা নিয়ে হুমকির কারণে স্কুল বন্ধ রেখেছেন। কিছু স্কুল খোলা  থাকলেও তাতে কোনো শিক্ষার্থী নেই। শেণিকক্ষগুলো ফাঁকা পড়ে আছে। অভিভাবকরা আতঙ্ক ও ভয় থেকে শিক্ষার্থীদের স্কুলে পাঠাচ্ছেন না।

আরো পড়ুন :  শেখ হাসিনাকে চীনের প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

এমন একটি স্কুলের একজন শিক্ষক বলেছেন, বিপজ্জনক পরিস্থিতির কারণে স্কুলে শিক্ষার্থীদের আসা যে বন্ধ হয়ে গেছে, এর অনেক শিক্ষার্থীই হয়তো আর কখনও স্কুলে ফিরে আসবে না বলে তিনি মনে করেন।নিরাপত্তার হুমকি আছে, এরকম এলাকাগুলোর এক লাখের বেশি মানুষ শিশুদের নিয়ে বুরকিনা ফাসোর নিরাপদ জায়গায় ক্যাম্পে উঠেছেন। জঙ্গি হামলার ভয়ের পাশাপাশি সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার কারণের অনেকে ক্যাম্পে আশ্রয় নিয়েছে। এই আশ্রয় নেয়াদের বড় অংশ শিশু।

আরো পড়ুন :  ‘মুগ্ধ হয়ে সালমানের দিকে তাকিয়ে ছিলাম’

বুরকিনা ফাসো’র সরকার বলেছে, নিরাপদ পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনী সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

Shares