বাসের চালক নূরুজ্জামান নুরুর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির বক্তব্যগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছেডিআইজি আবদুল্লাহ আল মামুন

প্রকাশিত

এ.এম. উবায়েদ, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি-

বাসের চালক নূরুজ্জামান নুরুর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির বক্তব্যগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছেম রোববার (১২ মে) বিকেল ৪ টায় জেলা পুলিশের (এসপি) সম্মেলন কক্ষে মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। তিনি বলেন, নার্স শাহিনুর আক্তার তানিয়াকে ধর্ষণের পর হত্যার কথা স্বীকার করে শনিবার (১১ মে) বাসের চালক নূরুজ্জামান নুরু (৩৯) কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আল-মামুন এর কাছে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। ডিআইজি চৌধুরী আবদুল¬াহ আল-মামুন আরো বলেন, মামলার এজাহার নামীয় দুই আসামি বাসের হেলপার লালন মিয়া (৩২) এবং অন্য আরেকজন পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন। মামলার তদন্তের স্বার্থে ওই একজনের নাম-পরিচয় এখনই জানানো যাচ্ছে না। এছাড়াও ধর্ষণ ও হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত স্বর্ণলতা পরিবহনের বাসটি (ঢাকা মেট্রো ব-১৫-৪২৭৪) জব্দসহ বিভিন্ন আলামত ও নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। তানিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার অন্য বাকি আসামিদের ধরতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান ডিআইজি চৌধুরী আবদুল¬াহ আল-মামুন।

আরো পড়ুন :  খুলনা সিটিতে বিজিবি মোতায়েন ১৩ মে

কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মাশরুকুর রহমান খালেদের সভাপতিত্বে মিডিয়া ব্রিফিংয়ে আরো উপস্থিত ছিলেন-পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি (অপস অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্ট) মো. আসাদুজ্জামান মিয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুল ইসলাম সোপানসহ জেলা পুলিশের অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তারা।

কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী জানান, মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইবুনালে নেওয়ার জন্য আবেদন করা হয়েছে।
এর আগে বুধবার (৮ মে) বিকেল ৩টার দিকে কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আল-মামুন রিমান্ড শুনানি শেষে পাঁচ আসামির প্রত্যেকের আট দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

আরো পড়ুন :  আরো চার স্কুল সরকারি হলো

উল্লেখ্য গত সোমবার রাতে ঢাকা বিমানবন্দর এলাকা থেকে নিজ বাড়ি কটিয়াদী উপজেলার লোহাজুড়ি বাহেরচর গ্রামে যাবার পথে বাজিতপুরের গজারিয়া জামতলি এলাকায় স্বর্ণলতা নামে একটি বাসে একা পেয়ে নার্স শাহীনূর আক্তার তানিয়াকে (২৪) বাসের চালক ও হেলপারসহ কয়েক দুর্বৃত্ত গণধর্ষণ ও হত্যা করে। এ ঘটনায় চালক নূরুজ্জামান ও হেলপার লালনসহ বকুল, খোকন ও রফিক নামে ৫ জনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে বুধবার আদালতে সোপর্দ করলে আদালত ৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

 

Shares