গাজীপুরে সাধারন মানুষের কাছে একজন অসাধারন ব্যাক্তি,এসপি শামসুন্নাহার

প্রকাশিত

হাফছা আহমেদ মিতু, চ্যানেল সিক্স-
ভালো মানুষ পৃথিবীতে এখনো আছে। এটা গাজীপুরের মানুষের মুখের কথা ।ওইসব ভালো মানুষগুলো যেকোনে পরিস্থিতিতে তারা সফলতার ছাপ রেখে যায়। আমাদের সমাজ ব্যবস্থায়পনায় পুলিশি নির্যাতন যেখানে নেতিবাচক ধারনা-মন্তব্যের সীমা নেই। থানা পুলিশের কর্মকান্ডে আমজনতার সন্তোষ প্রকাশ ইতিবাচক প্রশংসা শোনার বিষয়টিও সত্যি বিরল। একজন পুলিশ সুপারের প্রশংসা গাজীপুরের প্রতিটি এলাকায়। দেশের পুলিশ সম্পর্কে মানুষের অন্তরে জমে থাকা বিরূপ মন্তব্য আর কালো দাগ এবং ভয়কে জয় করে নগর থেকে দুর্গমঞ্চল পর্যন্তও ছড়িয়ে পড়েছে তার প্রশংসা।গাজীপুরের মানুষের কন্ঠে শোনা যায় এসপি শামসুন্নাহারের প্রশংসার বাণী।গাজীপুরের সাধারণ মানুষের মুখে শুধু প্রশংসার বার্তা শোনা যাচ্ছে এবং বলে বেড়াচ্ছেন এসপি শামসুন্নাহার বন্ধ করে দিয়েছেন সমস্ত অবৈধ ব্যবসা। সমানতালে চলছে তার পুলিশি সুফল কর্মকান্ড। গাজীপুর বাসির মতে এসপি শামসুন্নাহার দায়িত্ব গ্রহণের পর গাজীপুরের সাধারণ মানুষের মুখে হাসি-খুশি, আস্তা ও বিশ্বাস ফিরিয়ে এসেছে।
পুলিশ বাহিনীকে জনবান্ধব করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে পুলিশ। পুলিশের ঊর্ধ্বতনসহ সংশ্লিষ্টরা বরাবরই বলছেন, ‘পুলিশ জনগণের বন্ধু’। বর্তমান পুলিশ ও অতীতের পুলিশ এক নয়। বর্তমান পুলিশ জনগণকে সঙ্গে নিয়ে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস মোকাবিলা করছে। কিন্তু পুলিশ কতটুকু জনবান্ধব হতে পেরেছে, তা নির্ভর করবে জনগণ পুলিশ সম্পর্কে কী ভাবছে ও তাদেরকে কতটা সহজভাবে গ্রহণ করছে, তার ওপরে। যেদিন জনগণ নিজে থেকে বলবে, ‘পুলিশ আমাদের বন্ধু’ সেদিনই বলা যাবে— বাংলাদেশ পুলিশ, জনবান্ধব পুলিশ।সব কাজের দায়িত্ব পুলিশের ওপর না চাপিয়ে কিছু কাজ জনগণকেও ভাগাভাগি করে নিতে হবে বলে আমি মনে করি , অভিনেতা ও ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ ইলিয়াস কাঞ্চন। তিনি বলে থাকেন, আমরা সব কাজের দায়িত্ব পুলিশের ওপর দিয়ে দায় সারি। নিজেরা কোনও দায়িত্ব নেই না। সব কাজ পুলিশকে করতে হলে এই বাহিনীকে হতে হবে ফেরেশতা বা জ্বিন। পুলিশ তার নিজেদের নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যে জনগণের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। এখন সময় এসেছে, আমাদের বলতে হবে আমাদের বন্ধু পুলিশ।পুলিশের কাজের জবাবদিহিতার প্রশংসা করি, একবছরের কর্মকাণ্ডের চিত্র ডকুমেন্টারি আকারে আজ প্রকাশ করেছে।
এটা পুলিশের জবাবদিহিতার বহিঃপ্রকাশ। তাদের এই কাজ সত্যিই প্রশংসনীয়। আগের তুলনায় গাজীপুরের পুলিশ তাদের কার্যক্রমে অনেক বেশি জনবান্ধব। গাজীপুরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়। সেজন্য গাজীপুরে পুলিশ সুপার শামসুন্নাহার সর্বোচ্চ দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও তারা এ দায়িত্ব পালন করবে বলে আশা করছি।পুলিশ এখন অনেকটা জনবান্ধব।পুলিশ সম্পর্কে মানুষের মনে যে ভীতি ঢুকিয়ে দেওয়া হতো, সেটা এখন আর নেই। বর্তমানে কেউ আর শিশুদের বলে না এই চুপ করো পুলিশ আসছে।’ পুলিশ এখন অনেকটা জনবান্ধব, নারীবান্ধব, শিশুবান্ধব। আমাদের আরও অনেক দূর যেতে হবে, অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে। আমরা চাই, জনতার সঙ্গে, জনতার কাছে, জনতার হয়ে, সেই জনতার পুলিশ হওয়ার জন্য। পুলিশ সাংবাদিকদের সহযোগিতা পেলে, আপনাদের পাশে পেলে পুলিশ সব অপরাধের বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে দাঁড়াতে পারবে এবং নিশ্চয়ই সেসব পুলিশ অবশ্যই জয়ী হবে। জনগণ একদিন বলবে ‘পুলিশ আমাদের বন্ধু’ । দিনগুলোতে যেন মানুষের আরও কাছাকাছি যেতে পারে , মানুষের জন্য কাজ করতে পারে , যাতে বার বার আমাদের না বলতে হয়—পুলিশ মানুষের বন্ধু’ অথবা ‘জনগণের বন্ধু’। জনগণই যাতে বলে ‘পুলিশ আমাদের বন্ধু’। আসুন, আমরা সেদিনের প্রত্যাশায় করি। পুলিশ গাজীপুরবাসীর আস্থা ও বিশ্বাসের জায়গাটা অর্জন করেছে। বর্তমান পুলিশ ও আগের পুলিশ এক নয়। এরা জনগণের বন্ধু, এরা জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করে। জীবন বাজি রেখে তারা জনগণের জন্য কাজ করে যাচ্ছে, তাই আমরাও প্রশংসা করি।
শামসুন্নাহার’ নামটি শুনলে গাজীপুরে এমন কোন এলাকার মানুষ নেই যে তাকে চেনেন না। বিশেষ করে নারীদের কাছে যেন আশ্রয়ের শেষ স্থল হয়ে উঠেছিলেন তিনি।সাধারন মানুষের হৃদয়ের মণিকোঠায় যেন নিজের নামটি স্বর্ণক্ষরে গেঁথে দিয়েছিলেন। বর্তমানে তিনি গাজীপুর জেলা পুলিশ সুপার হিসাবে নিয়োজিত আছেন। তাঁর কাজের ধারাবাহিকতা একই রেখেছেন। কিন্তু একজন নারী হয়েও কিভাবে তিনি মানুষের হৃদয় জয় করতে পেরেছেন এত সহজে সেটাই যেন ঘুরপাক খাচ্ছে অনেকের মনে।গাজীপুরের পুলিশ সুপার তার ব্যতিক্রমী উদ্যেগের কারণেই তিনি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলেন।
মাদক,বাল্যবিবাহ,যৌতুক,নারী নির্যাতনের মত স্পর্শকাতর বিষয় গুলোতে তার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহনের কারণেই তিনি সাধারনের হৃদয়ে স্থান করে নিতে পেরেছিলেন। গাজীপুর পুলিশ সুপারের কাছে আসলেই সকল সমস্যার সমাধান হয়। গাজীপুর পুলিশ সুপার কার্যালয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন অভিযোগ আসলেই তিনি, সকলের অভিযোগ সেবা প্রদানে তিনি সমাধান করে দেন।একজন সৎ ও আদর্শবান পুলিশ কর্মকর্তা হওয়ার কারণে তিনি সাধারনের কাছে একজন অসাধারন ব্যাক্তি। একজন নারী হয়েও তিনি যেন পুরুষের সাথে সমান তালে লড়েছেন।শুধু তাই নয় মাদক ও বাল্যবিবাহ বিরোধী ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করে বেশ প্রশংসা কামিয়েছেন। তার কর্মকান্ডে জনগন যেন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পেরেছেন। অনেক জটিল সমস্যা গুলোর তিনি সমাধান দিতে পারেন ।গাজীপুরের গণমানুষের নয়নের মণি শামসুন্নাহার। মাদকের বিরুদ্ধে। সন্ত্রাস এবং জঙ্গীবাদ দমনেও তার প্রশংসার বাণী।
গাজীপুরে নিযুক্ত হয়েই তিনি হোটেলে অসামাজিক কাজ বন্ধ করতে অভিযান পরিচালনা করছেন। তার কার্যক্রমকে স্বাগত জানিয়েছেন গাজীপুরের আপামর জনসাধারণ।
জাতিসংঘে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করার কারণে তিনি ৭ বার জাতিসংঘ পদক লাভ করেন। দ্বিতীয়বার আইজি ব্যাজ সহ পুলিশের সেবা প্রদানকারী হিসাবে বিভিন্ন পদকে ভূষিত হন। এছাড়া পিপিএম পদক ও লাভ করেন। উইম্যান এওয়ার্ড ও তিনি লাভ করে। নানা গুণে গুণান্নিত এসপি শামসুন্নাহারের কন্ঠও চমৎকার। গান গেয়ে মাঝে মাঝে তিনি জানান দেন ব্যস্ততার মাঝেও বিনোদনের ক্ষেত্রে যে তার গান মানুষের মনে প্রশান্তি যোগায় তা তিনি প্রমাণ করেছেন। এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করে চ্যানেল সিক্স এর পক্ষ থেকে  গাজীপুরের পুলিশ সুপার শামসুন্নাহার কে শুভেচ্ছা ।