শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে ১০ সেক্টরে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাবলয়,থাকছে ড্রোন ক্যামেরা।

প্রকাশিত

নিজস্ব প্রতিবেদক কিশোরগঞ্জ- কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় ঈদ জামাতকে কেন্দ্র করে ১০টি সেক্টরে নিরাপত্তা বাহিনীর দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে পুলিশ সুপার মো. মাশরুকুর রহমান খালেদ সংশ্লিষ্ট প্রত্যেককে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেন।

সাংবাদিকদের এক ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার বলেন, কারও কোন দায়িত্বে অবহেলা বরদাস্ত করা হবে না। ঈদ জামাত ও মুসল্লিদের নিরাপত্তার জন্য প্রত্যেকেই দায়িত্ব সম্পর্কে সচেষ্ট থাকবেন।

তিনি বলেন, নিরাপত্তার স্বার্থে প্রত্যেক মুসল্লিকে একাধিক জায়গায় তল্লাশি করে মাঠে প্রবেশ করানো হবে। মুসল্লিরা যেন ভয়ভীতির উর্ধে থেকে ঈদগাহে নামাজ পড়তে আসেন। নিরাপত্তার স্বার্থে তিনি মুসল্লিদেরকে শুধুমাত্র জায়নামাজ নিয়ে ঈদগাহে আসার অনুরোধ করেছেন।

 

 

এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মাসুদ আনোয়ারসহ জেলা পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শোলাকিয়া ঈদগাহে ইতোমধ্যে পাঁচ প্লাটুন বিজিবি, র‌্যাব ও বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য ছাড়াও সাদা পোশাকে পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। কয়েকটি ড্রোন দিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সিসি ক্যামেরার পাশাপাশি পুলিশের ভিডিও ক্যামেরাও নিরাপত্তায় ব্যবহার করা হচ্ছে।

কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী জানান, মুসল্লিদের নিরাপত্তাসহ সব দিক বিবেচনায় রেখে দেশের এই সর্ববৃহৎ এবং প্রাচীন ঐতিহাসিক ঈদগাহ ময়দানকে ১৯১তম ঈদুল ফিতরের জামাতের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। দূর-দূরান্তের মুসল্লিদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য ঈদের দিন ময়মনসিংহ ও ভৈরব থেকে দুটি স্পেশাল ট্রেন চলাচল করবে।

কিশোরগঞ্জর রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার মো. কামরুজ্জামান জানান, ময়মনসিংহ থেকে একটি স্পেশাল ট্রেন ভোর ৫টা ৪৫ মিনিটে ছেড়ে সকাল সাড়ে ৮টায় কিশোরগঞ্জ পৌঁছবে এবং অপর একটি স্পেশাল ট্রেন ভৈরব থেকে ভোর ৬টায় ছেড়ে সকাল ৮টায় কিশোরগঞ্জ পৌঁছবে। জামাত শেষে দুপুর ১২টায় ওই ঈদ স্পেশাল ট্রেন দুটি নিজ নিজ গন্তব্যের উদ্দেশে কিশোরগঞ্জ ছেড়ে যাবে।