১৮ মার্চ নির্বচনী সহিংসতা আহত ফুলকুমারীর উন্নত চিকিৎসা করা হলোনা

প্রকাশিত

জগৎ দাশ,বাঘাইছড়ি সংবাদদাতা ঃ রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলায় ১৮ মার্চ নির্বাচনী সংহিসতার বুলেটের ক্ষতযন্ত্রনা এখনো বয়ে বেড়াচ্ছে বেটলিং সরকারী প্রাঃ বিদ্যাঃ সহকারী শিক্ষিকা ফুলকুমারী চাকমা।গত ১৮ মার্চ /২০১৯ বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাচন শেষে সাজেক কংলাক, মাচালং ও বাঘাইহাট ভোট  কেন্দ্রের ভোট গ্রহন শেষে নির্বাচনী সরাঞ্জাম নিয়ে উপজেলা সদর বাঘাইছড়িতে ৩টি জিপ গাড়ি যোগে ফেরার পথে    সরকারি দায়িত্ব পালন কারি কর্মকর্তার গাড়ি বহরে পাহাড়ের বিবেধমান আঞ্চলিক দলের ব্রাশ ফায়ারে ঘটানাস্থলে ১লা মে ৮ জন নিহত ও ৩২ জন আহত হন। এঘটনায় আহত সকলে চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরে স্ব স্ব কর্মস্থলে যোগদান করলে ও নিজ কর্মস্থলে  বা বাড়ি ফিরা হলনা ফুলকুমারী চাকমার। আহত ফুলকুমারী চাকমা দির্ঘসময় ঢাকা  সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ) চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হতে পারেনি। সিএমএইচ ঢাকা সামরিক হাসপাতালের চিকিৎসক ফুলকুমারীর পরিবারকে জানিয়ে দেন তার মেরুদন্ডের হাড়েঁ গুলি বিদ্ধ হয়ে হাড়ঁটি  ভেঙ্গে যায়।তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশের বাহিরে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করানোর পরামর্শ দেওয়া হয়।এত টাকা খরচ করে বিদেশে নিয়ে দরিদ্র শিক্ষক ফুলকুমারীর চিকিৎসা বার বহন করা সম্বভনা বলে যানান তার পরিবারের পক্ষে স্বামী হেমন্ত চাকমা।দরিদ্র শিক্ষিকার পরিবারের এমন দুরহ অবস্থার কথা চিন্তা করে বাঘাইছড়ির  সকল প্রাথামিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকগন ১লা মে ১৯ খ্রিঃ উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গনে এক মানববন্ধন কর্মসুচি পালন করেন এবং ফুলকুমারীর উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রধানমন্ত্রী বরাবরে  সহায়তা চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে স্বারকলিপি প্রদান করা হয়।ফুলকুমারীর স্বামী হেমন্ত চাকমা যানান,নির্বাচনী সহিংস ঘটনায় ফুলকুমারীর মেরুদন্ডে গুলি বিদ্ধ হয়ে হাড়ঁ ভেঙ্গে যায়।যার উন্নত কোন চিকিৎসা বাংলাদেশে নেই।তার পরিবারে অবুঝ ২ সন্তান মা ছাড়া হয়ে দিকবেধিক ছুটাচুটি মাকে খুঁজে কান্না করে প্রতিনিয়ত।এদিকে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে চিকিৎসা সাহার্য্য করেন ৪ লক্ষ টাকা  চিকিৎসা প্রয়োজনে অনেক টাকা খরচ হয়ে গেছে।হেমন্ত চাকমা আরো বলেন,আমার সহধর্মীনীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা সিএসএস কর্মরত ডাক্টার বলেছেন বিদেশ নিয়ে যেতে।যা আমার একার পক্ষে চিকিৎসার ব্যয় ভার বহন করা সম্বভ নয়।হেমন্ত চাকমা বলেন, এখন প্রধানমন্ত্রীর উপর ভরসা। যদি মমতাময়ী দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ ছাড়া আমার অবুঝ সন্তানের মা ফুলকুমারীকে এনে দেওয়া সম্বভ হবেনা।আমার অবুঝ সন্তানেরা যাতে মা হারা নয় হয় সে ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন হেমন্ত চাকমা।এদিকে ফুলকুমারীর বর্তমান শাররিক অবস্তা জানতে চাইলে হেমন্ত চাকমা বলেন,বর্তমানে তিনি ফুলকুমারী চাকমাকে ঢাকা সিএমএস থেকে   সাভারে সি আর পি প্রাইভেট ক্লিনিকে স্থানন্তর করা হয়।বর্তমানে সাভার সি আর পি প্রাইভেট ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন রয়েছে।সেখানে ভর্তি ফি ৩০ হাজার টাকা ও ১০০ দিনের চিকিৎসা ব্যয় ১লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা ধার্য্য পূর্বক চিকিৎসা ব্যবস্থা চলছে।বর্তমান চিকিৎসায় ফুলকুমারীর স্বাস্থ্যর ১০ ভাগ উন্নিত হয়েছে বলে ফোনে জানান শনিবার সন্ধ্যা ৭ টায় এই প্রতিবেদকে। তবে কোমরে ব্যাল্ট না লাগালে তাকে সোয়া থেকে বসানো সম্বভ হয়না।এখন কোমরে ব্যাল্ট পড়ে হুইল চেয়ারে বসিয়ে কিছু সময় বাহিরের আলো বাতাশ দেখায়।