মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রথম উ. কোরিয়ার ভূখণ্ডে পা রাখলেন ট্রাম্প

প্রকাশিত

ডেস্ক নিউজঃ উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যবর্তী সীমান্ত নির্দেশক লাইন দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম কোনো ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে কোরীয় দ্বীপের চিরবৈরী প্রতিদ্বন্দ্বী উত্তর কোরিয়ার ভেতরে প্রবেশ করে ইতিহাস তৈরি করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। দুই কোরিয়ার সীমান্তের অসামরিক এলাকা (ডিএমজেড) পেরিয়ে উত্তর কোরিয়ার ভেতরে প্রায় ২০ কদম হেঁটে এ ইতিহাস গড়লেন মার্কিন এই প্রেসিডেন্ট।

কিমের আমন্ত্রণে তিনি উত্তর কোরিয়ায় সীমান্ত অতিক্রম করেছেন বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। উত্তর কোরিয়ার ‘সীমান্ত রেখা অতিক্রম করে গর্ববোধ’ করছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

তারা উত্তর কোরিয়ার ভিতরে হেঁটে আবার ফিরে এসে দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রবেশ করেন। দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রবেশ করে দেশটির প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে ইনকে শুভেচ্ছা জানান কিম।

সেখানে দুই কোরিয়ার মধ্যবর্তী ডিমিলিটারাইজ জোনে (ডিএমজেড) দুই নেতা এক সংবাদ সম্মেলন করেন। উপস্থিত সাংবাদিকরা এই সংবাদ সম্মেলন হবে বলে প্রত্যাশা করেননি বলে জানিয়েছেন বিবিসির প্রতিনিধি।

সংবাদ সম্মেলনে কিম তাদের এই সাক্ষাৎকারকে ‘অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য’ বর্ণনা করে বলেন, “এর মানে হচ্ছে আমরা সহজ হতে পারি এবং ইতিবাচক উত্তর নিয়ে একে অপরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারি। আমার বিশ্বাস এটি ভবিষ্যতে আমাদের সব ধরনের আলোচনায় ইতিবাচক প্রভাব রাখবে।

 

 

আর ট্রাম্প বলেন, এটি একটি বিশেষ মূহুর্ত, আমার মনে হয় এটি সত্যিই- প্রেসিডেন্ট মুন যেমন বলেছেন- এটি একটি ঐতিহাসিক মূহুর্ত, ঘটনা হচ্ছে আমারা আলোচনা করছি।

সংবাদ সম্মেলন শেষে তিনি কিমকে বলেন, “আমি আপনার সঙ্গ উপভোগ করছি।”

এরপর তারা জয়েন্ট সিকিউরিটি এলাকায় (জেএসএ) ব্যক্তিগতভাবে আলোচনায় বসেন।

কিমের সঙ্গে প্রায় ৫০ মিনিট আলোচনার পর ট্রাম্প উপস্থিত সাংবাদিকদের জানান, তার জন্য হ্যানয় সম্মেলন সফল ছিল এবং তারা দুই নেতা তাদের সম্পর্ক ধরে রাখতে সক্ষম ছিলেন।

জাপানের ওসাকায় জি-২০ সম্মেলন শেষে শনিবার সন্ধ্যায় দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে ইনের সঙ্গে বৈঠক করতে রাজধানী সিউলে পৌঁছান ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই সম্মেলন শেষে হঠাৎ করেই উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কি জং উনের সঙ্গে সাক্ষাতের প্রস্তাব দেন তিনি। পরে দক্ষিণের প্রেসিডেন্ট মুনের সহায়তায় দুই কোরিয়ার অসামিরক এলাকায় সাক্ষাতে রাজি হন কিম জং উন।