তিনটি ইউনিয়নের আটটি গ্রামের মানুষের চলাচলের বাশের শাকু যেন মরন ফাঁদ

প্রকাশিত

লক্ষীপুর প্রতিনিধিঃ দুর থেকে এই ছবিটি দেখে যে কেউ বুঝার উপায় নাই যে এটি একটি মরণফাঁদ আসলেই ঠিক তাই , দীর্ঘ তিন যুগের ও বেশি সময় ধরে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তিনটি ইউনিয়নের সাত থেক আটটি গ্রামের শত শত মানুষ প্রতিনিয়ত পারাপার করে আসছে এই জনাকীর্ণ বাঁসের সাকু দিয়ে, প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা গঠছে জেনেও বিকল্প কোন রাস্তা না থাকায় বাধ্য হয়ে পারাপার করতে হয় এই সাকু দিয়ে , অথচ এই সাকুর বেশিরবাগ বাঁশ পাটা কিংবা অনেক বছরের পুরনো আবার অনেক জায়গায় দিয়ে দেখা যায় সাকুর বাঁসের অনেকগুলো খুঁটির উপরের অংশ আছে তো নিচের অংশ নাই ।
লক্ষীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ থানার পশ্চিম দিঘলীতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় এমন ভয়ানক ছিত্র ।
এলাকাবাশি স্থানীয় স‍ূত্র ‍ও ১৩ নং দিঘলী ইউনিয়নের স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য রাসেদুল হাছান বাবু জানায় মান্দরী ,দিঘলী, তেরিগঞ্জ এই তিনটি ইউনিয়নের সাত থেকে আটটি গ্রামের হাজার হাজার মানুষের একমাত্র চলার রাস্তাই হচ্ছে এই শড়কটি । এই রাস্তার বিকল্প অন্য কোন রাস্তা না থাকায় প্রতিদিন জীবনের ঝুকি নিয়ে শতশত লোক এই শাকুটি দিয়ে পারাপার করে কোমলমতি স্কুলের শিক্ষার্থী ৭০-৮০ উর্দ্দে বয়স্ক লোকেরা বেশি বিপাকে পড়ে তবে বর্ষাকালে ঝুঁকিটা একটু বেশিই থাকে , কারণ বর্ষাকালে নদিবর্তী পানি থাকে আর যখন নদীতে জোয়ার আসে তখন বাশের সাকুটি ভেঙ্গে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি জাবেদ মাষ্টার বলেন বাশের শাকুটির অবস্থা খুব সুচনীয় যে কোন সময় ভেঙ্গে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে। তিনি আরো বলেন আমরা বিষয়টি জেলার শীর্ষ পর্যায়ের রাজনৈতিক ব্যাক্তি বর্গকে বিষয়টি অবগত করেছি কিন্তু এখন তো কোন কিছু দেখি নাই ।
চন্দ্রগঞ্জ থানা সেচ্ছাসেবকলীগের আহবায়ক ও স্থানীয় বাসিন্দা আলাউদ্দিন বলেন এই সাকুটির অবস্থা খুবই নাজুক যে কোন সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ।
ঐ এলাকার সবছাইতে বয়স্ক লোক আবদুল্লাহ মিয়া জানান এই শাকুটি এই পর্যন্ত প্রায় ২৫-৩০ বার ভিবিন্ন কারনে ভেঙ্গে পড়েছে এতে অনেকেই দুর্ঘটনার স্বীকার হয়েছেন কার হাত ভাঙ্গছে আবার কার পা ভাঙ্গছে এই ভাবে প্রায় অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়েছে এবংকি শাকুটি ভেঙ্গে একজন স্কুল ছাত্রী পানিতে ডুবে মারা ও গিয়েছে।
সাফাত ও রাফিয়া নামের দুই স্কুল শিক্ষার্থী বলেন আমার বাবা  প্রতিদিন স্কুলে যাওয়ার সময় ও স্কুল থেকে আসার সময় আমাদেরকে হাতে ধরে এই শাকুটি পারাপার করেন।
স্থানীয় রহিম নামের এক অভীবাবাক বলেন বাচ্ছারা সাকুটি পারাপারের ভয়ে স্কুলে যেতে ছায় না তাদেরকে অনেক জোর করে স্কুলে পাঠাতে হয়। ঐ এলাকায় এল আর এম নামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঈসরাত নামের একজন শীক্ষক বলেন নদীর পূর্ব পাড়ে শীক্ষার্থীরা শাকু পারাপারের ভয়ে অনেকেই  প্রায় স্কুলে আসে না।
১৩ নং দিঘলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়্যারম্যান শেখ মুজিবুর রহমান ভোরের ডাককের সংবাদদাতাকে জানান সাকুটি সত্যি বিপদ জনক যে কোন সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা আর এই সাকুটি ভেঙ্গে নতুন পোল নির্মান করার জন্য প্রয়োজন প্রছুর টাকা আমি জেলার উদ্দতন কর্মকর্তাদ্বয়কে বিশয়টি অবগত করছি আশা করি খুব শ্রীগ্রই কাজটি শুরু হবে ।