লালমনিরহাটে কোরবানির পশুর হাটের চিত্রভিন্ন

প্রকাশিত

আসাদুল ইসলাম সবুজ, লালমনিরহাট- আগামী ১২ আগষ্ট পবিত্র ঈদুল আজহাকে ঘিরে লালমনিরহাটের ৫টি উপজেলার কোরবানির পশুরহাট (গরু) বেশ জমে উঠেছে। এবার পশুর দাম একটু চড়া বলে ধারনা করছেন ক্রেতারা। ফলে কোরবানির পশুর হাটের চিত্রভিন্ন।
জানা গেছে, লালমনিরহাট সদর উপজেলাসহ, আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা, ও পাটগ্রাম উপজেলা ঘেঁষা সীমান্তবর্তী এলাকা। প্রতিবছরে ঈদুল আজহার ঈদে ৫টি উপজেলা জুড়ে হাজার হাজার ভারতীয় পশু আমদানি হতো। এজেলার ভারতীয় পশু ঢাকা রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে রপ্তানি হয়েছিল।
কিন্তু এবারের ভারতীয় পশু চিত্র একেবারে ভিন্ন। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবারে ভারতীয় পশু আমদানী নেই। ফলে কোরবানির হাটে দেশি পশু আমদানি অনুযায়ী দাম চড়া হলেও ক্রেতাদের ভীড়ে জমে উঠেছে।
দেখা গেছে, জেলার বহুল আলোচিত সদরের বড়বাড়ী, দুরাকুটি, নয়ারহাট ও নবাবের হাট। কালীগঞ্জের চাপারহাট শিয়াল খোওয়া, হাতীবান্ধার দইখাওয়া ও পাটগ্রামের রসুলপুরের হাটে দেশি পশু (গরু, ছাগল) আমদানী হচ্ছে। চোঁখে পরেনি কোন ভারতীয় পশু।

সদরের খামারিরা সেকেন্দার আলী বলেন,
এ বার হাটে ভারতীয় গরু না আসায় দেশি গরুর ভালো দাম পাবেন। দাম কিছুটা বেশি হলেও দেশি গরু কিনতে পেরে খুশি ক্রেতারা।
গরু খামারি মনছুর আলী বলেন, গত বছর সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় গরু পাচার হয়ে আশায় আমরা গরু খামারীরা লাখ লাখ টাকা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি। এবারে গরুর দাম একটু বেশি হওয়ার কারনে গত বছরের ক্ষতি এবারে পুষিয়ে নিতে পারবো বলে আশা করছি।
এ ব্যাপারে লালমনিরহাট জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মকবুল হোসেন বলেন, এ বার জেলার হাট বাজারে স্বাস্থ্য পরীক্ষায় তদারকি থাকায় এবার পুষ্টিমান সম্পন্ন পশু পাওয়া যাচ্ছে। অন্যান্য বছরে দেশি-বিদেশী পশু আমদানী হওয়ায় ক্রেতাগণ নিজেদের পছন্দনীয় পশু ক্রয়ে কোন রুপ অনিহা প্রকাশ করেনি।