ফরিদপুরে বজ্রপাতে নারী, কৃষক প্রবাসীসহ চারজন নিহত

প্রকাশিত

মাহবুব হোসেন পিয়াল,ফরিদপুর-
ফরিদপুরে বজ্রপাতে নারী, কৃষক ও প্রবাসীসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা থেকে দেড়টার মধ্যে ফরিদপুরের সালথা ও পাশের নগরকান্দা উপজেলার এ ঘটনা ঘটে।
সালথায় বজ্রপাতে মারা গেছেন মাঝারদিয়া ইউনিয়নের কাগদী গ্রামের মৃত ইদ্রিস আলীর স্ত্রী হাসি বেগম (৪৫)। দুপুর ১টার দিকে হাসি বেগম নিজ বাড়িতে রান্না ঘরে রান্না করছিলেন। ওই সময় রান্না ঘরে বজ্রপাতের ঘটনা ঘটলে তিনি গুরুতর আহত হন।
এলকাবাসী তাকে উদ্ধার করে নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক এস এম ফরহাদ তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
এদিকে দুপুর সোয়া ১টার দিকে বজ্রপাতে মারা গেছেন সালথার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের বাটা গ্রামের বাসিন্দা বিল্লাল মাতুব্বর (৪৭)। সৌদি প্রবাসী বিল্লার মাতুব্বর ওই গ্রামের মৃত ইসমাইল মাতুব্বরের ছেলে।
সত্যতা নিশ্চিত করে স্থানীয় ইউপি সদস্য ইয়াদ আলী বলেন, দুপুরে বিল্লাল তার ছেলেকে নিয়ে বাড়ির পাশে জমিতে কাজ করছিলেন। ওই সময় এ বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। এর ফলে বিল্লাল ঘটনাস্থলেই মারা যান। তবে তাঁর ছেলে অক্ষত রয়েছে।
এদিকে বজ্রপাতে মারা গেছে নগরকান্দা উপজেলার তালমা ইউনিয়নের দক্ষিণ বিল নালিয়া গ্রামের কৃষক ইমরান ব্যাপারি (২২)। তিনি ওই গ্রামের পাচু ব্যাপারির ছেলে।
সত্যতা নিশ্চিত করে তালমা ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি তৈয়বুর রহমান জানান, ইমরান বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টার দিকে বাড়ির পাশে কুমার নদে পাট ধোয়ার কাজে ব্যস্ত ছিলেন। ওই সময় বজ্রপাতের ঘটনা ঘটলে ইমরান নিহত হন।
এছাড়াও আলফাডাঙ্গায় বজ্রপাতে হাফিজুর শরিফ নামের এক দিন মুজুর নিহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার আনুমানিক দুপুর ১টা ৩০মিনিটের সময় উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের হঠাৎ পাড়া এলাকায় নদীর খালের পানিতে নজরুল শরিফ(৪০),হাফিজুর শরিফ (৩৫)এবং হোসেন শরিফ (৩০)সহ আপন তিন ভাই এক সাথে চরকাতলাশুর গ্রামের পাখি মোল্যার পাট ধোয়ার সময় হঠাৎ বজ্রপাতের ঘটলে ঘটনা স্থলেই নিহত হন হাফিজুর শরিফ। স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ বিল্লাল মোল্যা জানান, নিহত হাফিজুর শরিফের বাড়ি ফরিদপুর জেলার সালথা উপজেলার বাহিরদিয়া গ্রামে। তার বাবার নাম মোঃ সিরাজ শরিফ।