ড্রোনের কাজ!

প্রকাশিত

প্রযুক্তি ডেস্কঃ ড্রোনের চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে এর অন্যতম কারণ যন্ত্রটি ওড়াউড়িতে দারুণ পটু বলে। এলোপাতাড়ি ওড়াউড়ি নয়, ড্রোন ওড়ে নিজেকে স্থির অবস্থানে রেখে। এ ছাড়াও মুহূর্তেই অবস্থান পরিবর্তন এমনকি বাঁকবদলেও ওস্তাদ। ড্রোন কত ওপরে উড়বে, সেটি নির্ভর করে কতটুকু জায়গা নিয়ে আপনি তা ওড়াচ্ছেন। ড্রোন উড়ে যেতে পারে দৃষ্টিসীমার বাইরেও। তবে এতে নিরাপত্তাঝুঁকি ও তির আশঙ্কা অনেক বেশি। বিনোদনের জন্য উৎপাদিত বাণিজ্যিক ড্রোনগুলোর ওড়াউড়ির একটি নির্দিষ্ট সীমানা নির্ধারণ করে দেয়া হয়। উড্ডয়নের সময়ও থাকে কম। অন্যদিকে নিরাপত্তা বাহিনী বা ম্যাপিংয়ের জন্য ব্যবহৃত ড্রোনের ক্ষেত্রে সীমানা ও সময় দুটিই অনেক বেশি থাকে।
আগেই বলা হয়েছে অনেক কাজের কাজি এই ড্রোন। নিত্যই নতুন সব কাজে ওড়ানো হচ্ছে এই যন্ত্রগুলো। বিশেষ করে মাইক্রো ড্রোনের ব্যবহার বাড়ছে চক্রবৃদ্ধি হারে।
অনুসন্ধান ও উদ্ধার : এসব কাজে দারুণ দক্ষ এই যন্ত্রগুলো। যেমন অগ্নিনির্বাপণের সময় বাতাসে কার্বন ডাই-অক্সাইড, কার্বন মনোঅক্সাইডের পরিমাণ বুঝতে ড্রোনের ব্যবহার হচ্ছে।

নিরাপত্তা : অনেক দেশেই জরুরি অবস্থায় মানুষের নিরাপত্তা রায় ড্রোন ওড়ানো হয়। বিভিন্ন ধরনের নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা এবং প্রমাণ সংরক্ষণে ড্রোনের ব্যবহার হয় সবচেয়ে বেশি।

 

 

তল্লাশি : বিদ্যুৎ ও গ্যাসসংযোগ, ওয়াইন্ড টারবাইন যে কোনো ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ পাইপলাইন পরীার জন্য ড্রোন বেশ নিরাপদ।

নজরদারি : আকাশ থেকে নিচের সবকিছু রেকর্ড করতে ড্রোনের জুড়ি নেই। বিশেষ করে জনসমাগম, প্রতিবাদ বা সন্দেহজনক ভিড়ভাট্টায় সতর্ক দৃষ্টি রাখতে ড্রোনের ওপর চোখ বুজে আস্থা রাখা যায়। ফলে এটি হয়ে উঠেছে নিরাপত্তারীদের নয়নের মণি!

বৈজ্ঞানিক গবেষণা : প্রত্নতাত্ত্বিক খনন, পারমাণবিক গবেষণা, দুর্গম তুষারাঞ্চলে নজরদারি, আগ্নেয়গিরি অগ্ন্যুৎপাত আরো অনেক উদাহরণ দেয়া যাবে। বৈজ্ঞানিক গবেষণার এই জায়গাগুলোতে মানুষ সচরাচর ঝুঁকি নিয়ে যেত। এখন কাজগুলো সহজ করে দিয়েছে ড্রোন।