নোবিপ্রবির হল থেকে বহিরাগতদের তাড়িয়ে দিল পুলিশ, অস্ত্র উদ্ধার 

প্রকাশিত

নোয়াখালী প্রতিনিধি:
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের একটি আবাসিক হলে অভিযান চালিয়ে বেশকিছু দেশীয় অস্ত্র, মদের খালি বোতল ও গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ।এ সময় ওই হল থেকে বহিরাগতদের তাড়িয়ে দেয়া হয়।সোমবার দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নোয়াখালী সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকারিয়ার উপস্থিতিতে এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহযোগিতায় ভাষা শহীদ আবদুস সালাম আবাসিক হলে এ অভিযান চালানো হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকারিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নোবিপ্রবির ভাষা শহীদ আবদুস সালাম আবাসিক হল থেকে বহিরাগতদের তাড়িয়ে দেয়া হয়েছে।এ সময় বেশকিছু দেশীয় অস্ত্র, মদের খালি বোতল ও গাঁজা উদ্ধার করে পুলিশ।হলটি কিছুদিন পুলিশের দায়িত্বে থাকবে।পরে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।এদিকে ওই হলে সংঘটিত ছাত্রদের মধ্যে শৃঙ্খলা পরিপন্থী কার্যক্রমের সুষ্ঠু তদন্তে সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. গাজী মো. মহসিনকে আহ্বায়ক ও ভাষা শহীদ আবদুস সালাম হলের প্রভোস্ট কাওসার হোসেনকে সদস্য সচিব করা হয়েছে।কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. মোহাম্মদ সেলিম হোসেন, প্রক্টর ড. নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুর, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশন বিভাগের পরিচালক আফসানা মৌসুমী, ভাষা শহীদ আবদুস সালাম হলের সহকারী প্রভোস্ট মো. শফিকুল ইসলাম ও সহকারী প্রক্টর মো. ওয়ালিউর রহমান আকন্দ।এই কমিটিকে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। প্রসঙ্গত, সিগারেট খাওয়াকে কেন্দ্র করে রোববার রাতে নোবিপ্রবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিন ও সাধারণ সম্পাদক দ্রুবর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।এ সময় আবাসিক হলে ভাঙচুর চালানো হয় এবং ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে আবদুল মালেক উকিল হলের প্রভোস্ট ড. ফিরোজ আহমদ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হলের সহকারী প্রভোস্ট ইকবাল হোসেনসহ অন্তত ১০ জন আহত হন।পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অনির্দিষ্টকালের জন্য হল বন্ধ ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।