চুয়াডাঙ্গার জুনিয়র অডিটর রাশেদের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক টাকা দাবীর অভিযোগ

প্রকাশিত

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি-

 চুয়াডাঙ্গা জেলা হিসাব রক্ষণ অফিসের জুনিয়র অডিটর মো.রাশেদের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক মোটা অংকের টাকা দাবীর অভিযোগ উঠেছে।

সম্প্রতি জেলার পৌর এলাকার গোরস্থান পাড়ার মমতাজ খাতুন তার স্বামীর পেনশনের টাকা নিতে গেলে রাশেদ ঘুষ দাবি করে বলে বাংলাদেশ হিসাব মহানিয়ন্ত্রক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার মমতাজ খাতুন। তার স্বামী জামাল উদ্দীন সদর উপজেলার পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক পদে চাকুরী করতেন। তিনি অবসরে থাকা অবস্থায় গত ৪ ফেব্রুয়ারী স্ট্রোক করে মারা যান। মমতাজের স্বামী স্ট্রোক করার কারণে দীর্ঘ ৪ বছর থাকায় পূর্বে এককালীন পাওয়া টাকা সব খরচ হয়ে যায়।

 

 

এমতবস্থায় পেনশনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে পেনশনের জন্য জেলা হিসাব রক্ষক অফিসে যায়। একই সাথে সেখানে জমা দিই। এসময় হিসাব রক্ষণ অফিসের জুনিয়র মো.রাশেদ ফর্ম ফিলাপ করে মমতাজের নিকট তিন হাজার টাকা দাবী করে। এসময় মমতাজ পাঁচশত টাকা দিতে গেলে রাশেদ টাকা নিবে না বলে জানান।

তারপর থেকে দীর্ঘ সাত মাস যাবৎ তাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে। পরে রাশেদ আবার বিভিন্ন সময় কাগজপত্র চায়। এসময় মমতাজ আবারও কাগজ জমা দেন। তারপর কয়েকদিন ঘোরার পর মমতাজ ও তার বৌমা হিসাব রক্ষক অফিসে যায়।

এসময় রাশেদ তাদের সঙ্গে করে নিজে বড় সাহেবের টেবিলে ফাইল জমা দেন। তারপর আবারও কয়েকদিন ঘোরার পর রাশেদ বলেন ফাইল এখন আমার হাতে, এখন ত্রিশ হাজার টাকা দেবেন তারপর ফাইল স্যারের টেবিলে যাবে। একই সাথে কটুক্তি ভাষায় আমাকে অপমান করেন। আমাদের মতো নিরীহ গৃহিনীদের কাছে যদি হাজার হাজার লক্ষ লক্ষ টাকা ঘুষ চায়, তাহলে কি আমাদের মত গৃহিনীরা স্বামীর পেনশন পাবে না? অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করেছে অভিযোগ কারী মমতাজ খাতুন।

এ বিষয়ে জেলা হিসাব রক্ষন অফিসের জুনিয়র অডিট অফিসার মো.রাশেদের সাথে মোবাইলফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তার ব্যবহৃত ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।