কলাপাড়ায় তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে যৌন হয়রানী মাফ চাইলেন প্রধান শিক্ষক

প্রকাশিত

কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি-এবার তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে যৌন হহয়রাণীর অভিযোগ  উঠেছে শিক্ষক আবু সালেহ মোহাম্মদ ইছার বিরুদ্ধে। তিনি  পটুয়াখালীর কলাপাড়ার বালিয়াতলী ইউনিয়নের কাঙ্কুনিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। এ ঘটনায় স্কুল এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়েছে। সোমবার সকাল সাড়ে ১১টায় এ ঘটনা ঘটেছে।

 

 

তৃতীয় শ্রেণির ওই ছাত্রীকে একা অফিস রুমে ডেকে এ ঘটনা ঘটায় প্রধান শিক্ষক। প্রথমে ওই ছাত্রী তার এক বোনকে বিষয়টি বলে। ওই বোন শিশুর পিতাকে জানালে তিঁনি ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মো. এনামুল হকের কাছে অভিযোগ করেন। মুহুর্তের মধ্যে এ ঘটনা এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষুদ্ধ হয়ে ওঠে অভিভাবকরা। শিক্ষকের পক্ষে একটি চক্র তাঁকে বাঁচাতে মোটা অংকের টাকার নিয়ে মাঠে নামে মিডিয়াসহ এলাকার প্রভাবশালীদের মুখ বন্ধ করতে। এ ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুহুর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে পা ধরে মাফ চাইয়ে শিক্ষককে রক্ষার চেষ্টা করা হয়। ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির মো. এনামুল হক জানান, প্রধান শিক্ষককে ডেকে তিনি জিজ্ঞেস করলে পা ধরে ক্ষমা চায়। এমনকি ছাত্রীর পিতার  পা জড়িয়ে ধরে ক্ষমা চান প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ ইছা। শিশুর পিতা বলেন, শিক্ষকরা আমাদের  সন্তানের পিতার মতো। তার মেয়ে দুই দিন স্কুলে যায়নি। একারণে রুমে একা ডেকে যৌন হয়রাণী করে। এ ব্যাপারে  প্রধান শিক্ষক আবু সালেহ মোহাম্মদ ইছা এসব অস্বীকার করে বলেন, এটি  তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। আর পা ধরে মাপ চাওয়ার কথাও অস্বীকার করেন।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো.আবুল বাশার জানান, বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি তাকে অবহিত করেছেন। তিনি বর্তমানে পটুয়াখালী থাকায় মঙ্গলবার সরেজমিনে তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) অনুপ দাশ জানান, শিক্ষা অফিসারকে তদন্ত করে জরুরি ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বলবেন।