অনুমোদনের অপেক্ষায় ভোটার দিবস!!!

প্রকাশিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ স্বাধীনতার মাস অর্থাৎ মার্চ মাসের প্রথম দিনটিকে ভোটার দিবস হিসেবে এ বছর থেকেই পালন করার জন্য নীতিগত সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেছিলো নির্বাচন কমিশন(ইসি)। তবে এবার ১ মার্চ ভোটার দিবস পালন করা হলো না ইসির।

ভোটার দিবস পালনের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অনুমোদন প্রয়োজন। কমিশন সভার কার্যপত্রে দেখা যায়, ১ মার্চকে ভোটার দিবস হিসেবে পালন করার জন্য নেওয়া সিদ্ধান্তপত্র মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে সরকারের অনুমোদনের জন্য। কিন্তু এই সিদ্ধান্ত প্রস্তাব মন্ত্রিসভার অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। সরকারের সায় মিললে উপযুক্ত নাগরিকদেরকে ভোটার হতে উদ্বুদ্ধ করার জন্য প্রতিবছর দিনটিকে ভোটার দিবস হিসেবে পালন করা হবে।

ইসির যুগ্ম সচিব ফরহাদ আহাম্মদ খান বলেন, ‘ইসির পক্ষ থেকে এই সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবনা অনাপত্তির জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছিলো। সেখানে সেটা অনুমোদন পেয়েছে। এখন কেবিনেটের অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘মন্ত্রী পরিষদ অনুমোদন দিলে আগামী বছর মার্চ মাসের প্রথম দিনটি ইসি ভোটার দিবস হিসেবে পালন করতে পারবে বলে আশা করছি।’

তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনাররা জানান, ভোটার দিবস পালনের মাধ্যমে ভোটার তালিকা হালনাগাদের প্রচার-প্রচারণার গতি বাড়বে।’

এর আগে ইসির ১৫ তম কমিশন সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশন কে এমন নূরুল হুদা, নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম ও শাহাদাত হোসেন চৌধুরী প্রতি বছর ১ মার্চকে ভোটার দিবস পালনের বিষয়ে একমত হন। পাঁচ সদস্যের কমিশনের মধ্যে ওই সভায় উপস্থিত তিনজনের ঐকমত্য হওয়ায় তা কমিশনের সিদ্ধান্ত হিসেবে গৃহীত হয়েছে।

এর আগে ১৭ ডিসেম্বরের কমিশন সভায় ইসির সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ ভোটার দিবস বিষয়ে একটি প্রস্তাব উপস্থাপন করেন। এতে ভোটার দিবস পালনের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রাথমিক বিবেচনায় ১ জানুয়ারি ও ৭ জুলাইয়ের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। এরপর সভায় নির্বাচন কমিশনার শাহাদাত হোসেন চৌধুরী জানান, যেহেতু প্রতিবছর ১ জানুয়ারি যাদের বয়স ১৮ বছর, তারা ভোটার হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেন। তাই ১ জানুয়ারিকে ভোটার দিবস করা যেতে পারে। কিন্তু ১ জানুয়ারি তারিখে পাঠ্যপুস্তক দিবস পালন করা হয়।

পরে নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম জানান, যে তারিখে ভোটারের প্রথম তথ্য নিবন্ধন করা হয় সে তারিখেই ভোটার দিবস ঘোষণা করা যথাযথ হবে।