আগামীকার খালেদার পক্ষে যুক্তি দেবেন রেজাক খান

প্রকাশিত

অনলাইন রিপোর্টার ॥ দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পক্ষে তৃতীয় দিনের মতো যুক্তি উপস্থাপন করেছেন তার আইনজীবী আবদুর রেজাক খান।

ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ মো. আখতারুজ্জামান বকশীবাজারের কারা অধিদপ্তরের মাঠে স্থাপিত বিশেষ এজলাসে বসে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় মামলায় চতুর্থ দিনের মতো যুক্তিতর্কের শুনানি শুরু করেন, শেষ হয় বিকাল পৌনে ৪টায়।

বুধবার খালেদার পক্ষে চতুর্থ দিনের মতো তিনিই যুক্তি উপস্থাপন করবেন বলে মঙ্গলবার শুনানি শেষে জানিয়েছেন রেজাক খান।

এই আইনজীবীর যুক্তি উপস্থাপন শেষ হলে খালেদার পক্ষে তার আরও তিন আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন, এ জে মোহাম্মদ আলী ও ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকারের যুক্তি উপস্থাপন করার কথা রয়েছে।

মঙ্গলবার খালেদা জিয়ার পক্ষে তৃতীয় দিনের মতো যুক্তি উপস্থাপন শুরুর পাঁচ মিনিট আগে বিএনপি নেত্রী এজলাসে এসে বসেন।

এর আগে যুক্তিতর্ক শুনানির প্রথম দিন ২০ ডিসেম্বর মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল যুক্তি উপস্থাপন করেছিলেন।

এ সপ্তাহে যুক্তিতর্কের শুনানির জন্য মঙ্গলবার থেকে টানা তিনদিন বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দিন রেখেছেন বিচারক আখতারুজ্জামান।

এ মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনে মোট সাত দিন বক্তব্য দেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। গত ৫ ডিসেম্বর তার বক্তব্য শেষ হলে বিচারক যুক্তিতর্ক শুনানির দিন ঠিক করেন।

এতিমখানা দুর্নীতি মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের পাশাপাশি বৃহস্পতিবারের শুনানিতে জিয়া দাতব্য ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনে খালেদা জিয়ার লিখিত বক্তব্যও গ্রহণ করে আদালত।

দুই মামলায় খালেদা স্থায়ী জামিনের আবেদন করলে তাকে মঙ্গলবার পর্যন্ত জামিন দিয়েছিল আদালত।

জিয়া এতিমখানা ট্রাস্টে এতিমদের জন্য বিদেশ থেকে আসা অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় একটি মামলা করে দুদক। তদন্ত শেষে ২০০৯ সালের ৫ অগাস্ট তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে অভিযোগপত্র দেন।

পাঁচ বছর পর ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ অভিযোগ গঠন করে খালেদাসহ ছয় আসামির বিচার শুরু করেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- খালেদার বড় ছেলে তারেক রহমান, সাবেক মুখ্য সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান, মাগুরার সাবেক সাংসদ কাজী সালিমুল হক কামাল ও ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ।

খালেদা জিয়া এ মামলায় জামিনে আছেন। তারেক রহমান গত নয় বছর ধরে দেশের বাইরে, তার বিরুদ্ধে এ মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত। কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমান মামলার শুরু থেকেই পলাতক। সালিমুল হক কামাল ও শরফুদ্দিন আহমেদ রয়েছেন কারাগারে।

আর জিয়া দাতব্য ট্রাস্টের তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০১১ সালের ৮ অগাস্ট খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে দাতব্য ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলাটি দায়ের করে দুদক। মামলায় ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।

– See more at: http://www.dailyjanakantha.com/details/article/316792/%E0%A6%86%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%80%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%87-%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%95-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%A8#sthash.e49c4S5W.dpuf

Be the first to write a comment.

Leave a Reply