আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমেই খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা হবে-আলহাজ্ব সালাহ উদ্দিন সরকার

প্রকাশিত

মৃণাল চৌধুরী সৈকত :
গাজীপুর জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. সালাহ উদ্দিন সরকার বলেছেন, আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা হবে। সকল ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমেই এই সরকারের রোষানল থেকে আমাদের মাকে মুক্ত করে আনব।
তিনি বলেন, বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকার নির্লজ্জভাবে মিথ্যা ও উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মামলায় জড়িয়ে কারান্তরীন করে রেখেছে। ৭৩ বছর বয়সী সাবেক এই অসুস্থ প্রধানমন্ত্রীকে চিকিৎসার সুযোগটুকুও দেয়া হচ্ছে না।
তিনি আরও বলেন, তারুণ্যের প্রতীক তারেক রহমানকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে দেশে আসার সুযোগ বন্ধ করে দিয়েছে। তারেক রহমান অবশ্যই বীরের বেশে দেশে আসবেন।
গতকাল শনিবার বিকেলে গাজীপুর মহানগর জিয়া পরিষদের নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যরা আলহাজ্ব সালাহ উদ্দিন সরকারের সাথে তার বাসভবনে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে এসব কথা বলেন।
শেখ মো. রুবেল হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জিয়া পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রবিউল ইসলাম, মহানগর জিয়া পরিষদের সভাপতি অ্যাড. এনামুল হুদা সরকার (মনির), সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. রাশেদ খান সোহেল প্রমুখ।
সালাহউদ্দিন সরকার বলেন, রাজনীতিতে ঐক্যের বিকল্প নাই। তৃণমূল থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমেই একটি দলকে এগিয়ে নিতে হয়। তাই আগামী অক্টোবরে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে দেশনেত্রীকে কারামুক্ত করার জন্য সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। দেশনেত্রীকে মুক্ত করতে হলে রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম ছাড়া বিকল্প কোন রাস্তা এখন আমাদের কাছে খোলা নেই। তাই সবাইকে প্রস্তুত থাকতে হবে।
তিনি বলেন, টঙ্গী-গাজীপুর বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে যতই ভেদাভেদ থাকুক না কেন। দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার মুক্তি ও তারুণ্যের অহংকার তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সাজানো মামলা প্রত্যাহারের আন্দোলনে আমরা সবাই এক ও অভিন্ন। মনে রাখতে হবে আমরা সবাই শহীদ জিয়ার আর্দশের সৈনিক, বিএনপির কর্মী। আমাদের মা খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে এটাই এখন আমাদের একমাত্র চাওয়া।
সালাহউদ্দিন সরকার উপস্থিত নেতাকর্মীদের আশ্বস্ত করে বলেন, আগামী আন্দোলন সংগ্রামে অংশগ্রহণ করে যেসকল নেতাকর্মীরা পুলিশী হয়রানি ও মামলা মোকদ্দমার শিকার হবে এবং যদি দলের জন্য কেউ জেলে যায় তাহলে তার পরিবারের সকল দায়-দায়িত্ব আমার ।
এসময় তিনি বেগম খালেদা জিয়া কারান্তরীন থাকায় নেতাকর্মীদের আনা ফুলের তোড়া গ্রহণ করেননি।
##