আমখলা হাঠ সরঃ প্রাঃ বিদ্যালয়ের কোচিং ও গাইড বানিজ্যো তুংঙ্গে !! অভিযোগ ধামা চাপার চেষ্টা !

প্রকাশিত

মু. জিল্লুর রহমান জুয়েল, পটুয়াখালী।

বর্তমান সরকারে শিক্ষাবিস্তারে নানা অগ্রণী ভূমিকা পালন করলেও, অসাধুপায়ী শিক্ষকের কারনে, বেরে উটা কোমলমতি শিশুদের মেধাবিকাশের নামে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলা আমখোলা হাঠ সরকারী প্রাথমীক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মোস্ততাফিজুর রহমানের সহযোগীতায় চলছে কোচিং ও গাইড বানিজ্যো। সরজমিনে দেখা যায়, সরকারী বিদ্যালয়ে, শিশুদের মেধাবিকাশের জন্য  কঠোর মনোযোগী  নিয়ম থাকলেও, বিদ্যালয়ের ছুটির পরে গাইড বই দিয়ে, প্রাইভেট পরিয়ে মেধা শূন্য করে হাতিয়ে  নিচ্ছে নগত টাকা। বাংলাদেশ শিক্ষামন্ত্রনালয়ে বিধিনিষেধকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে শিশু শিক্ষার্থী অভিভাবকদের গাইড বই দিয়ে, প্রাইবেট পরার বাধ্য করছেন বলে নাম না বলা শর্থে জানা যায়। বিদ্যালয়েরর মোট ৪৮৭ জন শিক্ষার্থী আছে বলে স্কুল সূত্রে জানা যায়। ২৩ জুলাই রোজ মঙ্গলবার স্কুলে গিয়ে দেখা যায়, স্কুকুলে ঘড়ির কাটা ৪ টা বাজলেও দৈন্দিন ঘড়ির কাটায় বিকেল  সারে তিনটা। বিদ্যালয়ের শ্রেনী কক্ষে তৃতীয়,  চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেনীর শিক্ষার্থী নিয়ে, বিভিন্ন প্রকাশনীর গাইড বই দিয়ে কোচিং ক্লাস পরিচালনা করছেন দুই সহকারী শিক্ষক যা ভিডিও ফুটেজে ক্যামেরা বন্দী আছে।
শিক্ষার্থীদের কাছে জানতে চাইলে, তারা সহজ সরল ভাষায় বলে, হেড স্যার আমাগো গাইড বই কিন্তে কইছে, আর প্রাইভেটের জন্য মাসে জন প্রতি চারশত টাকা করে নেয় জসিম স্যার আর খলিল স্যার। অন্যদিকে সাংবাদিক উপস্থিতি টের পেয়ে সুকৌশলে প্রাইভেট পরতে থাকা শিক্ষার্থীদের সরিয়ে দেন সহকারী শিক্ষক দুজন। মেধাবিকাশের নামে গাইড ও কোচিং বানিজ্যের কথা জানতে চাইলে, বরাবর’ই দায় সারা উত্তর দেন সহকারী শিক্ষক দুজন। এ নিয়ে আমখলা হাঠ সরকারী প্রাঃবিঃএর প্রধান শিক্ষক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমানের কাছে,  সরকারী নিষেধাজ্ঞা থাকা স্বত্বেও কেন কোচিং ও গাইড বই বানিজ্য করছেন, জানতে চাইলে তিনি, উত্তে জিতো হয়ে কোচিং বা প্রাইভেট ও গাইড বানিজ্যের কথা অশ্বীকার করেন।
অন্যাদিকে ২৪ জুলাই ২০১৮ইং ঘড়ির কাটা বেলা সারে এগারোটা বাজলেও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমানকে তার কার্যলয়ে না পেয়ে, মুঠোফোনেই কোচিং ও গাইড বানিজ্যের কতা জানালে, তিনি ঐ দিনেই স্কুলে গিয়ে ব্যবস্থা নিবেন বলে জানলেও ১৮ দিন অতিবাহিত হলেও, কোচিং ও গাইড বানিজ্যের অপরাধের কোন আইনী ব্যবস্থা নেয়নি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা। এ বিষয়ে পুনরায় ৯ আগষ্ট ২০১৮ইং বৃহস্পতিবার  বেলা আড়াইটার সময় গিয়ে দেখা যায়, পূর্বেকার একই ভাবে প্রাইভেট ও কোচিং বানিজ্যের দৃশ্য। স্কুলের কমল মতি শিক্ষার্থীদের কাছে জানতে চাইলে, তারা বলে, স্যারেরা আমাদের মা বাবার সাক্ষর নিছে, আর কইছে কেউ জিজ্ঞাসা করলে, বলবি আমাগো ভালো লেখা পড়া করার জন্য আমরাই কইছি। কথা গুলো শুনে অবাক হলেও, থুমকে দারাবার মতো। শিক্ষকারা মানুষ তৈরী কারিগর হলে, শিশুদের মিথ্যা শিক্ষা চর্চাক্ষেত্র তৈরী করছেন প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান। এ বিষয়ে ৯ আগষ্ট বৃহস্পতিবার প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ মিজানূর ররহমান মুঠো ফোনে তদন্ত করিয়েছেন এবং প্রতিবেদন উপর মহলে পাঠাবেন বলে বরাবরিই একই কথা শিক্ষা তথ্য কে জানান। স্কুলে গাইড ও কোচিং বানিজ্যের গ্রাস থেকে কর্তৃপক্ষ যথাযথ ব্যবস্থা নিয়ে  বর্তমান ও  আগামী প্রজন্মকে  রক্ষায় এগিয়ে আসবে এটাই বর্তমান প্রজন্মের দাবী।