আমতলী ভায়লাবুনিয়াতে যুবতীকে জোর পূর্বক অপহরন, থানায় মামলা গ্রেফতার ১

প্রকাশিত
মু. জিল্লুর রহমান জুয়েল, পটুয়াখালী।
বরগুনা জেলার আমতলী থানাধীন ৬নং ভায়লাবুনিয়া ইউনিয়ন থেকে যুবতীকে জোর পূর্বক অপহরনের অভিযোগ উঠেছে। গত ১১ই জুলাই ২০১৮ ইং তারিখ বিকাল ৬ ঘটিকার সময় অপহৃত সাবিনা আক্তারকে তার নিজ বসত বাড়ী সংলগ্ন পাকা রাস্তা থেকে জোর পূর্বক অপহরনের ঘটনাটি ঘটেছে বলে মামলার সূত্রে জানা যায়। সূত্রে  আরো জানা যায় অপহৃত সাবিনা (১৯) এর মা খাদিজা আক্তার স্বামী বেল্লাল হাং বাদী হয়ে গত ১৪ ই জুলাই ২০১৮ ইং তারিখ আমতলী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০( সংশোধনী)
২০০৩ এর ৭/৩০ ধারায় পাচঁ জনকে আসামি করে মামলা রুজূ করেন। মামলায় আসামিদের মধ্য মোকছেদুল মৃধা(২৫) পিতা সোনা মিয়া মৃধা, টিপু মৃধা(২৭) পিতা ফজলুল হক মৃধা, মোয়াজ্জেম মৃধা(২০) পিতা সোনা মিয়া মৃধা, মঞ্জু মৃধা (৩০) পিতা সোনা মিয়া মৃধা, সোনা মিয়া মৃধা (৫৫) পিতা মৃত আঃ হক মৃধা ও আরো অজ্ঞাতনামা ৩/৪ জনকে আসামি করা হয়েছে। ইতিমধ্য আমতলী থানাপুলিশ এ মামলার ২নং আসামি টিপু মৃধাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। এ মামলার তদন্তকারী এস আই রাসেলের কাছে
অপহৃত সাবিনা ও মামলার সার্বিক বিষয় জানতে চাইলে তিনি জানান, আমরা কাজ করছি, অচিরেই বাকিদের গ্রেপ্তার সহ সাবিনাকে উদ্ধার করতে সক্ষম হবো।
মামলার বাদী খাদিজা আক্তার যেকোনো মূল্য  মেয়েকে ফিরে পেতে চান বলে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। তিনি জানান আমার স্বামী বেল্লাল হাওলাদার জীবিকার উদ্দেশ্য প্রবাশ খাটছেন।
আমরা অসহায় পরিবারে পুরুষ বলতে তিনিই একজন। খাদিজা আরো জানান মেয়ে সাবিনাকে একই গ্রামের ওসমান মোল্লার পুত্র বিদেশ ফেরত মামুন মোল্লার সাথে ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক কাবিন রেজিষ্ট্রি মুলে বিবাহ দেই। মামুন মোল্লা চলমান মামলার ৪ নং স্বাক্ষী বলে মামলার সুত্রে জানা যায়।
বাদী খাদিজা বলেন আমার মেয়েকে ফিরিয়ে দিন নইলে আমি বাচঁবোনা বলে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। এক সপ্তাহ গড়িয়ে গেলেও সাবিনাকে এখন পর্যন্ত উদ্ধার করতে পারেনি আমতলী থানা পুলিশ। সরেজমিন অনুসন্ধানে এ মামলার ভিন্নতা প্রকাশ পায়। ঘটনার অন্তরালে চলছে অজানা সব তথ্য। কে এই মোকছেদুল? জানতে আমাদের সাথেই থাকুন আগামীর সংখ্যায়।